সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • ইসলামে স্ত্রী খুশি রাখাকে ধরা হয়েছে নেক আমলের অংশ

    ইসলামে স্ত্রী খুশি রাখাকে ধরা হয়েছে নেক আমলের অংশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় স্বামীকে তার স্ত্রীর প্রতি স্নেহ, সম্মান এবং দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে, স্ত্রীর আবদার পূরণ করা কেবল পারিবারিক দায়িত্ব নয়, বরং নেক আমল হিসেবে গণ্য হয়।

    গবেষণা এবং ইসলামিক গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন যে, স্ত্রীকে খুশি করা স্বামী জন্য সওয়াবের কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যখন স্ত্রী খুশি থাকে, তখন পরিবারে শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

    স্ত্রীর আবদার মানে কী?
    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্ত্রীকে ছোট-বড় উপহার দেওয়া, তার চাওয়া অনুযায়ী জীবনযাপন করা, সময় দেওয়া এবং মানসিক সমর্থন প্রদান করাই আবদার পূরণের মধ্যে পড়ে।

    ইসলামে গুরুত্ব:
    হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট রাখে, আল্লাহও তাকে সন্তুষ্ট রাখবেন।” কোরআন ও হাদিসে স্বামীকে স্ত্রীকে ভালোবাসা এবং স্নেহ প্রদর্শনের নির্দেশ রয়েছে। স্ত্রীর আবদার পূরণের মাধ্যমে স্বামী নেক আমল অর্জন করতে পারে এবং পরিবারের সুখ নিশ্চিত হয়।

    গবেষণার পরামর্শ:
    সমাজবিজ্ঞানী ও ইসলামিক স্টাডিজের গবেষণায় দেখা গেছে, যে পরিবারে স্বামী স্ত্রীর আবদার পূরণ করেন, সেখানে মানসিক চাপ কম থাকে এবং সন্তানের মানসিক বিকাশও উন্নত হয়।

    বাস্তব জীবনে প্রয়োগ:
    দৈনন্দিন ছোট ছোট আবদার পূরণ যেমন প্রিয় খাবার বানানো বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা, স্ত্রীর প্রতি সম্মান দেখানো এবং মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া, বিশেষ দিনে ছোট উপহার বা সুন্দর আচরণ—এসবই পরিবারে শান্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

    স্ত্রীর খুশি রাখার মাধ্যমে কেবল পারিবারিক সম্পর্কই মজবুত হয় না, পুরো সমাজের সুখও নিশ্চিত করা সম্ভব।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ