সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Natun Kagoj

ইসলামী দৃষ্টিতে ভোটের গুরুত্ব

ইসলামী দৃষ্টিতে ভোটের গুরুত্ব
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পাশাপাশি জাতীয় সংবিধান সংশোধন বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর, যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বাংলাদেশে অনেকেই ভোটকে গুরুত্ব না দিয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষমতার অপব্যবহার, আধিপত্য বিস্তার এবং নানা অনিয়মের কারণে ভোটের গুরুত্বকে অবমূল্যায়ন করেন। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে ভোট একটি ইবাদতের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

প্রখ্যাত আলেম মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) লিখেছেন, ভোটের তিনটি দিক রয়েছে:

সাক্ষ্য: ভোট প্রদানের মাধ্যমে আপনি সত্য সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

সুপারিশ: নেক ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করার মাধ্যমে সুপারিশ করছেন।

যৌথ প্রতিনিধি নির্বাচন: নির্বাচিত প্রতিনিধি রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করবেন, যার আমলে ভোটারও অংশীদার।

মুফতি শফি উল্লেখ করেন, অযোগ্য বা পাপাচারী ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া হারাম, কারণ এটি মিথ্যা সাক্ষ্য ও অন্যায় প্রতিনিধিত্বে সহযোগিতা হিসেবে গণ্য হবে। কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী, অত্যাচারী, অযোগ্য বা ইসলামের বিরোধী মনোভাবাপন্ন প্রার্থীকে ভোট দেওয়া নিষিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন: ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি সংসদে যে ভালো-মন্দ কাজ করবেন, সেই আমলে ভোটারও অংশীদার হবেন।

রাষ্ট্রীয় ভুলের প্রভাব পুরো জাতির ওপর পড়ে, তাই ভোটের গুরুত্ব অনেক বেশি।
বিশুদ্ধ বিশ্বাস ও নৈতিকতার প্রার্থী থাকলেও ভোট না দেওয়া গোনাহ।
ইসলামবিরোধী প্রার্থীকে ভোট দেওয়া মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অন্তর্ভুক্ত।
টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়া দেশ ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন