সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • আশিক জিন ও শয়তানের ধোঁকা

    আশিক জিন ও শয়তানের ধোঁকা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যেখানে শয়তান বা জিন রোগীদের মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে পরিবারে কলহ এবং অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শয়তানের এই ধোঁকা বুঝতে পারা রুকইয়ার চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    অনেক রোগীর মুখ থেকেই প্রায়শই শোনা যায়— "অমুক ব্যক্তি তাবিজ করেছে," "ননদ বা শাশুড়ি জাদু করছে," অথবা "নদীতে ফেলা তাবিজের কারণে আমি আটক আছি"— এমন নানা ধরনের অভিযোগ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি থাকে না।

    এগুলো মূলত শয়তানের সুদূরপ্রসারী কৌশল। এর মূল লক্ষ্য হলো— পরিবারে কলহ তৈরি করা, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো, আত্মীয়দের প্রতি ঘৃণা ও সন্দেহ সৃষ্টি করা এবং রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করা। রোগী যখন ইবাদত-বন্দেগী বাদ দিয়ে এসব কাল্পনিক তাবিজ বা জাদুর উৎস খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন আল্লাহর ওপর তার ভরসা বা 'তাওয়াক্কুল' নষ্ট হয়ে যায় এবং সে আরও বেশি শয়তানের জালে আবদ্ধ হয়।

    কেন শয়তানের কথায় কান দেওয়া বিপজ্জনক:

    পরিবারের মধ্যে অস্থিরতা ও বিভেদ বাড়ে।

    রোগীর মন ও ঈমান দুর্বল হয়ে পড়ে।

    চিকিৎসা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

    আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল নষ্ট হয়।

    রোগী দ্রুত হতাশ হয়ে পড়ে এবং শয়তান আরও নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।

    করণীয় কী?

    এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় রোগীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

    ১. শয়তান যা-ই বলুক, বিশ্বাস করবেন না: শয়তান যতই বিশ্বাসযোগ্য তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করুক না কেন, তা ৯৯% সময়ই মিথ্যা।

    ২. চিকিৎসার নিয়ত শুধুই আল্লাহর জন্য রাখুন: রুকইয়ার সময় মন স্থির রাখুন এবং মনে রাখবেন আল্লাহর সাহায্যই সুস্থতার জন্য যথেষ্ট।

    ৩. শয়তান কথা বলতে চাইলে থামিয়ে দিন: সে পানি চাক, মিষ্টি চাক বা সৎ উপদেশ দেওয়ার ভান করুক— কোনো সুযোগ দেবেন না। তার কোনো কথাকেই পাত্তা দেবেন না।

    ৪. পরিবারের কাউকে অযথা সন্দেহ করবেন না: এটি শয়তানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।

    সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। শয়তান কেবল বিভ্রান্ত করে। রোগী যদি আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যান, তবে হিজামা বা রুকইয়া দ্রুত ফল দেবে, ইন শা আল্লাহ।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ