শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া করার মহিমান্বিত সময়

    আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া করার মহিমান্বিত সময়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য আযান এবং ইকামত (jamaat শুরুর আগের ঘোষণা) মুসলিমদের জন্য এক পবিত্র আহ্বান। এই দুটি ধর্মীয় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়টিকে ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে যে, এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে করা দোয়া বা প্রার্থনা আল্লাহ তাআলা কখনোই ফিরিয়ে দেন না। তাই এই মূল্যবান সময়টিকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর কাছে নিজেদের প্রয়োজন পূরণের আহ্বান জানানো উচিত।

    হাদিসের আলোকে দোয়ার গুরুত্ব

    আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়ার গুরুত্ব একাধিক সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: "আযান এবং ইকামতের মধ্যবর্তী দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না"।

    আরেকটি বর্ণনায় রয়েছে, নবী করীম (সাঃ) সাহাবিদের এই সময়ে বেশি বেশি দোয়া করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেন, "আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া কবুল হয়, সুতরাং তোমরা দোয়া করো"। এই হাদিসগুলো মুসলিম উম্মাহকে এই মুহূর্তের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

    কেন এই সময়ে দোয়া কবুল হয়?

    ইসলামী চিন্তাবিদরা মনে করেন, আযানের মাধ্যমে বান্দাহকে আল্লাহর ইবাদতের দিকে ডাকা হয়। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বান্দাহ যখন নামাজের জন্য প্রস্তুতি নেয়, তখন সে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। এই পবিত্র মুহূর্তে বান্দার আগ্রহ ও আনুগত্য আল্লাহকে খুশি করে তোলে, যার ফলে এই সময়ের প্রার্থনা দ্রুত মঞ্জুর হয়।

    কীভাবে এই সময়ের সদ্ব্যবহার করবেন?

    যদিও এই সময়ে কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই, তবে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের মঙ্গল কামনায় যেকোনো বৈধ দোয়া করা যেতে পারে।

    আন্তরিকতা ও বিশুদ্ধ মনে প্রার্থনা: এই সময়ে একনিষ্ঠ মন ও আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে নিজের আশা, আকাঙ্ক্ষা, ভয় এবং প্রয়োজন তুলে ধরা উচিত।

    মাসনুন দোয়া পাঠ: আযানের পর পঠিতব্য প্রসিদ্ধ দোয়া এবং দরুদ শরীফ পাঠ করা মুস্তাহাব।

    নফল ইবাদত: কিছু হাদিসে এই দুই আযানের মাঝে (আযান ও ইকামতের) নফল সালাত বা নামাজ পড়ার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক।

    ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উচিত এই সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অত্যন্ত মূল্যবান সময়টিকে অবহেলা না করে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের জন্য প্রার্থনা করা।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ