সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • পরকালে আল্লাহ নিজেই হবেন বাদী, লক্ষ্য এই তিন ব্যক্তি

    পরকালে আল্লাহ নিজেই হবেন বাদী, লক্ষ্য এই তিন ব্যক্তি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ মৃত্যু । ধনী হোক বা দরিদ্র, শক্তিশালী হোক বা দুর্বল—সবারই এ অনিবার্য গন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। পৃথিবী সাময়িক; এটি যেন এক পরীক্ষার জায়গা। পরকালে সফল হওয়ার জন্য এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়, তারপরই জান্নাতের আশ্বাস পাওয়া সম্ভব।

    পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “জমিনের ওপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোর শোভা বৃদ্ধি করেছি, যাতে মানুষকে পরীক্ষা করতে পারি যে, আমলের ক্ষেত্রে কারা উত্তম।” (সুরা কাহাফ : ৭)

    এছাড়া সুরাতুল বাকারায় ইরশাদ হয়েছে, “যারা ইমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে, তাদের জন্য জান্নাতসমূহ রয়েছে, যার তলদেশ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে।” (আয়াত : ২৫)

    মৃত্যুর সময় নিয়ে সুরা নাহলে বলা হয়েছে, “নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহূর্তও বিলম্বিত বা ত্বরান্বিত করতে পারবে না।” (আয়াত : ৬১)

    মৃত্যুর পর প্রত্যেককে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল দেখানো হবে। হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থান তুলে ধরা হবে—জান্নাত হলে জান্নাত, জাহান্নাম হলে জাহান্নাম। পরে আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করবেন। (তিরমিজি : ১০৭২)

    কিয়ামতের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে রাব্বুল আলামিন বলেন, “সেদিন মানুষ তার ভাই, মা, পিতা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছেও পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তি শুধু নিজেকে দেখবে।” (সুরা আবাসা : ৩৪-৩৭)

    হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, মানুষ কবর থেকে উলঙ্গ অবস্থায় হাশরের ময়দানে দাঁড়াবে। সেদিন পরিস্থিতি এত ভয়ঙ্কর হবে যে কেউ কারও দিকে তাকাতেও পারবে না। (মুসলিম : ৬৯৩৪)

    এ ধরনের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে নবীজি (সা.) উম্মতকে বিভিন্ন বিষয়ে সতর্ক করেছেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ দেখিয়েছেন। বিশেষ করে হাদিসে উল্লেখ আছে ৩ ধরনের ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিয়ামতের দিন স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিজে বাদী হবেন।

    ৩ ধরনের ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজে বাদী হবেন:

    • যে আমার নামে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে।
    • যে কোনো আজাদ (মুক্ত) মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে।
    • যে কোনো মজুর বা শ্রমিককে নিয়োগ করে পুরো কাজ আদায় করে, কিন্তু পারিশ্রমিক দেয় না।

    (বোখারি : ২২৭০)

    এ হাদিস আমাদের সতর্ক করছে, মানুষের প্রতি ন্যায়পরায়ণতা, দায়িত্বশীলতা ও ঈমানের গুরুত্ব অপরিসীম। কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে দোষী না হওয়ার জন্য সৎ আমল ও ন্যায়পরায়ণ আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।


    দৈএনকে/ জে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ