বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • হঠাৎ আবহাওয়ার জন্য শিশুর যত্নের বিশেষজ্ঞ টিপস্

    হঠাৎ আবহাওয়ার জন্য শিশুর যত্নের বিশেষজ্ঞ টিপস্
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সকালের গ্রীষ্ম, বিকেলের বর্ষা আর রাতের শরত—এই হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে শিশুরা সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই এ সময় তাদের যত্ন নিতে হবে আরও যত্নসহকারে।

    জেনে নিন এ সময়ে শিশুর বিশেষ যত্নের কিছু টিপস্-
    ১. আরামদায়ক পোশাক

    শিশুর সুরক্ষায় দরকার অভিভাবকদের সচেতনতা। শিশুরা সারাক্ষণ ছোটাছুটির মধ্যে থাকে। এর ফলে তাদের শরীরে ঘাম বেশি হয়। এজন্য শিশুদের সব সময় হালকা সুতির কাপড় পরাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর পোশাক যেন আঁটসাঁট না হয়, যাতে পর্যাপ্ত বাতাস ঢুকতে পারে। এতে শিশুদের ঘাম কম হবে। শিশুরা ঘেমে গেলে দ্রুত পোশাক বদলে ঘাম মুছে দিতে হবে। তাই দিন ও রাতের তাপমাত্রা বুঝে শিশুকে পোশাক পরানো উচিত।

    ২. নিয়মিত গোসল

    শিশুরা বাইরে থেকে ফিরে গোসল করতে চাইলে তৎক্ষণাৎ গোসল করতে দেওয়া যাবে না, আগে শরীর ঠান্ডা হতে দিতে হবে। বাইরে থেকে ফিরে সাবান বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিতে হবে। আবহাওয়া যেমনই হোক না কেন শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুর শরীর জীবাণুমুক্ত রাখতে গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড বা নিমের পাতা মিশিয়ে গোসল করালে ভালো হবে।

    ৩. ফ্যানের গতি

    শিশুর শরীর ঘামছে বলে জোরে ফ্যান চালানো যাবে না। যদি ফ্যান চালাতেই হয়, তবে হালকা করে ছেড়ে রাখুন। অনেক সময় শুধু ফ্যানের বাতাসের কারণেও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    ৪. ঠান্ডা পানীয়

    গরমের সময় আইসক্রিম বা কোল্ড ডিংকস খেতে ভালো লাগলেও তাতে উপকার নেই। আবার অনেক সময় শিশুরা বাসায় ফিরে ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি পান করে। এটা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। গরম থেকে এসেই বেশি ঠান্ডা পানি পান করা ঠিক না।

    ৫. সংক্রমণ ও ত্বকের যত্ন

    শীতের শুরুতে শিশুদের ঠান্ডা বাতাস এবং ধুলো থেকে দূরে রাখতে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্কুলে বা বাইরে নিয়ে গেলে মুখে মাস্ক ব্যবহারের অভ্যাস করাতে হবে। শিশুর নাক বন্ধ, ঠান্ডা, কাশি, গলা ব্যথা – এই জাতীয় সমস্যায় আদা-লেবু চা, গরম পানিতে গড়গড়া, মধু, তুলসী পাতার রস খাওয়ানো যেতে পারে।

    এ সময় শিশুদের হালকা কুসুম গরম পানি পান করানো উচিত। গোসলে নিমপাতা ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ঘুম থেকে ওঠার পর দাঁত ব্রাশ করা, হাত-মুখ ধোয়া, খাওয়াসহ শিশুদের সব সময় হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে ও হালকা গরম পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশু ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল, সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। সেজন্য বেবি অয়েল, বেবি ক্রিম, গ্লিসারিন ব্যবহার করা যেতে পারে। সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

    একটি পরিবারের আনন্দ শিশুদের চঞ্চলতার ভিতরে সীমাবদ্ধ থাকে, তাই শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ