আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বিহারে ভোটার তালিকা সংশোধন ও ‘ভোট চুরির’ প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যাওয়ার পথে আটক হওয়া ভারতের বিরোধী দলের সব সাংসদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, প্রায় দুই ঘণ্টা আটক রাখার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দ্য হিন্দু এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন মতে, কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাওয়াত এবং টিএমসির সাগরিকা ঘোষসহ ৩০ জনেরও বেশি সাংসদকে আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন মাত্র ৩০ জন সংসদ সদস্যকে তাদের প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু বিক্ষোভকারীরা ‘বিপুল সংখ্যায়’ ছিল বলে দাবি কর্মকর্তাদের। এছাড়া নির্বাচন কমিশন অভিমুখে প্রতিবাদ মিছিলের জন্য কেউ অনুমতি চায়নি বলেও দাবি তাদের।
এর আগে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সোমবার সকালে দিল্লিতে পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভোট চুরির অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ।
পরে সংসদ সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র স্লোগান দিতে শুরু করেন। এসময় রাহুল গান্ধী, ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন এমপিকে আটক করে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, রাস্তায় রাজনীতিবিদ ও বিপুলসংখ্যক দলীয় কর্মীর ভিড়। কেউ রাস্তায় বসে আছেন, কেউ পতাকা ও ব্যানার হাতে স্লোগান দিচ্ছেন। অনেকে পুলিশ ও তাদের ব্যারিকেডের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করছেন।