মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভয়াবহ ভূমিকম্পেও অটুট মাতৃত্ব, জীবিত উদ্ধার মা ও শিশু সিটি করপোরেশন বাদে বিরোধী আসনে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চাকরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, কর্মসংস্থান তৈরি করবে তরুণরা: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর হারারে টেস্টে বাংলাদেশের হতাশা, বড় লিড গড়ছে জিম্বাবুয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল ইসরায়েল কি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন? মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
  • রমনা বোমা হামলা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন, অন্যদের ১০ বছর

    রমনা বোমা হামলা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন, অন্যদের ১০ বছর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০০১ সালের রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা তাজ উদ্দিন ও জুয়েলের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    একই মামলায় বাকি ৯ জন আসামির সাজা কমিয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৩ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

    রায়ে আপিল করা সব আসামির সাজা কমানো হয়েছে। ২ জনের মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন থেকে কমিয়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এবং দুজন এরই মধ্যে মৃত্যুবরণ করায় তাদের বিষয়টি রায় ঘোষণায় আসেনি।

    হাইকোর্টে ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, আকবর হোসেন, আরিফ হাসান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই, শফিকুর রহমান, সাব্বির, শেখ ফরিদ ও আবু তাহের। এছাড়া মুফতি হান্নান, আব্দুর রউফ ও ইয়াহিয়া মারা যাওয়ায় তাদের ক্ষেত্রে এ মামলা অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে।

    আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা রুবি।

    ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যান এক জন।

    এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন বিচারিক আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। ঢাকার দায়রা জজ রুহুল আমিন হত্যা মামলার রায়ে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

    এরপর ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিলের শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি মুফতি হান্নান সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এছাড়া জজ আদালতে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আব্দুর রউফ ও ইয়াহিয়া হাইকোর্টে আপিল শুনানি অপেক্ষমাণ থাকা অবস্থায় মারা যান। সে কারণে এই তিনজনের নাম মামলা থেকে বাদ যায়। বাকি ১১ জনের বিষয়ে আজ হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ