শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • দুই কোটির বেশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে

    দুই কোটির বেশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সারাদেশে শুরু হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এই কর্মসূচির আওতায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

    তবে অসুস্থ শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হবে। এ উপলক্ষে মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। প্রতি বছর দুইবার এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত অন্ধত্ব ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

    এবারের ক্যাম্পেইনের আওতায় সারাদেশে প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি শিশুকে পুষ্টিহীনতা থেকে মুক্ত রাখা এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। এ কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলে বাংলাদেশে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। শুধু দেশেই নয়, বিশ্ব নেতৃত্বের পুষ্টি ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে আসছে।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী সময়ে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ৪.১০ শতাংশ ছিল। ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। পরবর্তীতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

    ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। টিকাকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক ক্যাপসুলের মুখ কাঁচি দিয়ে কেটে ভেতরে থাকা সবটুকু তরল শিশুকে খাওয়াবেন। শিশুদের কান্নার সময় অথবা তাদের জোর করে ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্পেইনের দিন প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ