সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আজ ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী দুদক ও সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে গণপূর্তের প্রকৌশলী তামজিদের ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজি ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন জ্যোতির লড়াই বিফলে, অল্পের জন্য হেরে গেল বাংলাদেশ তুরাগে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের গুজব, ডিএমপির দাবি—প্রচারে নেই কোনো সত্যতা পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়তে পারে শাস্তি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘সব বাধা উপেক্ষা করে এ বছরই আমি দেশে ফিরব’: শেখ হাসিনা আগস্টে শুরু রূপপুর বিদ্যুতের গ্রিড সংযোগ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৪৩০
  • প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি

    প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব জানিয়েছেন, আগামী মার্চ মাসে তিনি বাংলাদেশ সফরে আসছেন। সফরকালে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও কথা বলবেন। বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং ড. ইউনূসের নেতৃত্বে চলমান পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে চান তিনি।

    রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের ওপর সৃষ্ট প্রভাব এবং রাখাইনের মানবিক পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে ড. ইউনূসের উদ্বেগের প্রতি সহমত পোষণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় করার কথাও বলেন গুতেরেস।

    রোহিঙ্গাদের বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংস্থা (আসিয়ান) এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। মিয়ানমার সংকটের রাজনৈতিক সমাধান এবং রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবর্তনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করার কথাও বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

    চিঠিতে রাখাইনের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা দিতে দেশটিতে কাজ করা সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

    চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও জানান, জাতিসংঘ এই ইস্যুতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করবে, যার মধ্যে রয়েছে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ, রাখাইন ও সমগ্র মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ ও মানবিক সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করা।

    আসিয়ান সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব লেখেন, রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ভূমিকা রাখবে। আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর পরামর্শের পর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

    এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার ইস্যুবিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান গত ৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ড. ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন