বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সহকর্মী আপনাকে অপছন্দ করেন কি না, বুঝবেন যে ৫ লক্ষণে এআই ও ডিপফেকের ফাঁদে বাড়ছে সাইবার প্রতারণা মানুষের ভালোবাসা পেতে ইসলামের ৪ সুন্দর শিক্ষা অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ, ব্যাটিংয়ে উন্নতি দেখছেন বাংলাদেশের কোচ এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি অপরাধ, বললেন মেহজাবীন ব্যাংকে পরিবারতন্ত্র কমানোর সংস্কার প্রস্তাবে ছাড় দিচ্ছে সরকার সৌদি আরবে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের পরামর্শ জাপানের বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও উত্তরা-আজমপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ বাকুতে সিআইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি অপরাধ, বললেন মেহজাবীন

    এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি অপরাধ, বললেন মেহজাবীন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তারকাদের চেহারা বসিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তাঁর মতে, কাউকে হেয় করতে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা বিনোদন নয়, অপরাধ।

    বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন বলেন, এ ধরনের ভিডিও শত শত কিংবা হাজারো মানুষ শেয়ার করতে থাকলে তা শুধু ব্যক্তিগত অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং বড় সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়।

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে হলে কেন তাঁকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে? মেহজাবীনের ভাষায়, “কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?”

    একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ হ্যাক হওয়ার পর সেখানে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমটি হ্যাকিংয়ের কথা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। তবে ভিডিও তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ, লাইক, শেয়ার ও ট্রেন্ডিংয়ে থাকার প্রতিযোগিতা নিয়েও উদ্বেগ জানান মেহজাবীন। তিনি স্বীকার করেন, অনেকের কাছে কনটেন্ট তৈরি জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। তবে প্রশ্ন তোলেন, “কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?”

    অভিনেত্রীর মতে, জনপ্রিয়তা বা অর্থ উপার্জনের জন্য কাউকে অপদস্থ করা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রত্যেক মানুষেরই সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারও পরিচয় ব্যবহার করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না।

    মেহজাবীন আরও বলেন, এ সমস্যা নারী কিংবা পুরুষ—কোনো একটি গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভিউ ও এনগেজমেন্টের প্রতিযোগিতায় যে কেউ এমন কনটেন্টের শিকার হতে পারেন। একই সঙ্গে যারা এসব ভিডিও তৈরি করছেন, তাঁদের পাশাপাশি স্বেচ্ছায় শেয়ার করে আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তাঁদের ভূমিকাও উদ্বেগজনক।

    পোস্টের শেষাংশে ভিডিও শেয়ারকারীদের নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি। মেহজাবীনের ভাষায়, “একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন।”


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন