মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আফগানিস্তানের ২ উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের পথে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড হাম ও উপসর্গে আরও ২ মৃত্যু, মোট মৃত ১ হাজার ১৬৪ ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতায় জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সিনেমা হল বাঁচাতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে সরকার সৌদি আরবে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, প্রাণ গেল ১৫ শিশুসহ ১৩৯ জনের উপাচার্যকে ভবনে রেখেই ফটকে তালা দিলেন চুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ঢাকা উদ্যানে ককটেল সদৃশ বস্তু, ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ত্বক নরম ও উজ্জ্বল করতে রাইস ওয়াটার কতটা কার্যকর?
  • সৌদি আরবে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, প্রাণ গেল ১৫ শিশুসহ ১৩৯ জনের

    সৌদি আরবে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, প্রাণ গেল ১৫ শিশুসহ ১৩৯ জনের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আফ্রিকার দেশ জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৮৪ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫টি শিশু রয়েছে। নৌকাটিতে তিন শতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

    জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, গত ৮ অক্টোবর রাত থেকে ৯ অক্টোবর ভোরের মধ্যে কোনো এক সময় নৌকাটি ডুবে যায়।

    জিবুতির কোস্টগার্ডের তৎপরতায় ৮০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণে বেঁচে যান। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা আইওএমকে জানিয়েছেন, তারা সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক। বাব আল-মান্দেব প্রণালি পেরিয়ে ইয়েমেন হয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের পরিকল্পনা ছিল তাদের। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে কোস্টগার্ডের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    আইওএমের জিবুতি মিশনের প্রধান আলেকজান্দ্রে কোইসাক এ ঘটনাকে মর্মান্তিক উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, জরুরি সহায়তা দেওয়ার জন্য সংস্থাটির দল স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

    কোইসাক আরও বলেন, উন্নত অর্থনৈতিক সুযোগের সন্ধানে অভিবাসীরা যেসব বিপজ্জনক পথ পাড়ি দেন, এ ঘটনা সেই ঝুঁকির বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে।

    অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) কোইসাক জানান, নিহতের যে সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে কেবল জিবুতির সরকারি কর্তৃপক্ষের দাফন করা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিবাসীরা নিজেরাও কয়েকজনের মরদেহ দাফন করেছেন। তবে কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলো শনাক্ত ও যাচাই না করা পর্যন্ত সেগুলো সরকারি হিসাবে যুক্ত করা হবে না।

    ঝুঁকি নিয়েও অভিবাসন অব্যাহত

    জিবুতি ও ইয়েমেনের মধ্যবর্তী বাব আল-মান্দেব প্রণালি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে। এর সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ প্রায় ২০ কিলোমিটার। হর্ন অব আফ্রিকা থেকে আসা হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশীর কাছে এটি ইয়েমেনে যাওয়ার একটি পরিচিত পথ হলেও সমুদ্রপথটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

    পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের আশায় অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী এই পথ বেছে নেন। তবে অঞ্চলে চলমান অস্থিতিশীলতা ও সংঘাতের ঝুঁকি সত্ত্বেও তাদের যাত্রা থেমে নেই।

    আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ইথিওপিয়া থেকে জিবুতিতে ২০ হাজারের বেশি মানুষের আগমন নথিভুক্ত করেছে সংস্থাটি। গত বছর পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ এই পথ ধরে ইয়েমেনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৯০০ জন মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

    জিবুতি অভিবাসীদের যাত্রাপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। একই সঙ্গে ইয়েমেনে সংঘাতের কারণে দেশটি আশ্রয়প্রার্থীদের গন্তব্যেও পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেন থেকে কয়েক হাজার মানুষ পালিয়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন