ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৫৩০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে চারজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজন মারা গেছেন। একই সময়ে দুই রোগে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ২ হাজার ৫৩০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পৃথক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছর এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১ জনে। এর মধ্যে আগস্ট মাসেই ৪৩ জন, সেপ্টেম্বরের প্রথম ছয় দিনে ২৪ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৩১৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৯০৪ জনে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ২৩১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০ হাজার ৭০৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৫০৭ জন। এছাড়া খুলনায় ২৩৫, চট্টগ্রামে ১৯৮, বরিশালে ১৫৩, রাজশাহীতে ৯৯ এবং ময়মনসিংহে ৮১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হামে ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ জনে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে জানানো হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে ঢাকা বিভাগে ৪৬৮ জন, চট্টগ্রামে ২৪৯, সিলেটে ১৫৫, বরিশালে ১৩৫, ময়মনসিংহে ৮৬, খুলনায় ৭৯, রাজশাহীতে ৩০ এবং রংপুরে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৭৫৬ জন।