বাংলাদেশি ওষুধে ফিলিপাইনের চাহিদা পূরণের আগ্রহ

বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ফিলিপাইনের ওষুধের চাহিদা পূরণে সহযোগিতা চেয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট। একই সঙ্গে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও জনসম্পর্ক আরও জোরদারে ঢাকা-ম্যানিলা সরাসরি ফ্লাইট চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে নার্সিং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়েও আলোচনা হয়।
কুশল বিনিময়ের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কারে কাজ করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেখানকার স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাসেবার মান উন্নত বিশ্বের পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত জানান, দেশটির মোট ওষুধের প্রায় ৬৭ শতাংশ পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হয়। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ফিলিপাইনের ওষুধের চাহিদা পূরণে সহযোগিতা চান তিনি।
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে এ খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসম্পর্ক আরও গভীর করতে ঢাকা ও ম্যানিলার মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে স্বাস্থ্য খাতের সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।