শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করবে যেসব খাবার

শরীরের পেশি গঠন, কোষের বৃদ্ধি, টিস্যু মেরামত এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকা প্রয়োজন। প্রাণিজ ও উদ্ভিজ—উভয় ধরনের খাবার থেকেই সহজেই প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। জেনে নিন প্রোটিনসমৃদ্ধ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার সম্পর্কে।
চর্বিহীন মাংস
মুরগি, টার্কি, গরু ও খাসির চর্বিহীন মাংস উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম উৎস। এগুলোতে প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রন, জিঙ্ক ও ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সও থাকে, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।
মাছ
মাছে প্রচুর প্রোটিনের পাশাপাশি হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বিশেষ করে স্যামন, ট্রাউট ও অ্যাঙ্কোভিসের মতো মাছ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
দুধ, পনির ও টক দই প্রোটিনের ভালো উৎস। পাশাপাশি এগুলোতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ থাকায় হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
শিম, ছোলা ও মসুর ডাল
রাজমা, কালো শিম, সাদা শিম, ছোলা, সয়াবিন, মসুর ডালসহ বিভিন্ন ধরনের ডালজাতীয় খাবার উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের দারুণ উৎস। এগুলোতে ফাইবার, আয়রন, ফোলেট, জিঙ্ক ও পটাসিয়ামও পাওয়া যায়।
বাদাম ও বীজ
আমন্ড, আখরোট, চিনাবাদাম, চিয়া সিড, কুমড়োর বীজ ও সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি। তবে ক্যালোরি বেশি থাকায় পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।
ডিম
ডিমকে সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস বলা হয়, কারণ এতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। এছাড়া এতে ভিটামিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে।
সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে প্রতিদিনের খাবারে এসব প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার পরিমিত পরিমাণে রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এতে শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি পেশির শক্তি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বজায় থাকে।