বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস দেখছেন? শরীর ও মনের যেসব ক্ষতি হতে পারে

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস দেখছেন? শরীর ও মনের যেসব ক্ষতি হতে পারে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অবসর পেলেই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের রিলসে ডুবে যাচ্ছেন? একের পর এক ছোট ভিডিও দেখতে দেখতে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়, তা অনেকেই টের পান না। শুধু তরুণরাই নন, বর্তমানে মধ্যবয়সী ও প্রবীণদের মধ্যেও এই অভ্যাস দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমিত ব্যবহার ক্ষতিকর না হলেও অতিরিক্ত রিলস দেখার অভ্যাস শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    স্মার্টফোন সব সময় ক্ষতিকর নয়

    চিকিৎসকদের মতে, প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারও রয়েছে। ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ, অনলাইন গেমে অংশ নেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্য জানা—এসব কার্যক্রম প্রবীণদের মানসিকভাবে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করতে পারে। এতে একাকীত্বও কিছুটা কমে।

    সমস্যা শুরু হয় যখন...

    যখন ফোন ব্যবহার বিনোদনের সীমা ছাড়িয়ে নেশায় পরিণত হয়, তখনই ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে রিলস স্ক্রল করতে করতে অনেকেই হাঁটাচলা, ব্যায়াম, পারিবারিক সময় কিংবা পর্যাপ্ত ঘুমের মতো প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো উপেক্ষা করেন। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব শরীর ও মন—দুই ক্ষেত্রেই পড়তে পারে।

    অতিরিক্ত রিলস দেখার সম্ভাব্য ক্ষতি

    শারীরিক কার্যক্রম কমে যায়:
    ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার ফলে শরীরচর্চা কমে যায়। এতে ওজন বৃদ্ধি, পেশি দুর্বল হওয়া এবং জয়েন্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

    ঘুমের সমস্যা তৈরি হয়:
    মোবাইলের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণে বাধা দেয়। ফলে ঘুমাতে দেরি হয় বা অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।

    মনোযোগ কমে যায়:
    খুব অল্প সময়ের ভিডিও বারবার দেখার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো বিষয় মনোযোগ দিয়ে পড়া বা কাজ করার সক্ষমতা কমতে পারে।

    মানসিক অস্থিরতা বাড়ে:
    রিলস দেখার সময় সাময়িক আনন্দ মিললেও অতিরিক্ত ব্যবহারে একাকীত্ব, বিরক্তি, উদ্বেগ ও খিটখিটে মেজাজের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    কী করবেন?

    প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই, তবে এর জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা জরুরি। প্রতিদিন কিছু সময় বই পড়া, হাঁটাহাঁটি, বাগান করা, ব্যায়াম বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস গড়ে তুললে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিকে প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই সুস্থ জীবনযাপারের অন্যতম চাবিকাঠি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন