মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

পরী দিবস: কল্পনা, রূপকথা আর বিস্ময়ের জগতে ফিরে যাওয়ার দিন

পরী দিবস: কল্পনা, রূপকথা আর বিস্ময়ের জগতে ফিরে যাওয়ার দিন
ছবি: এআই
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

ব্যস্ততা আর প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের ভিড়ে মানুষ প্রায়ই হারিয়ে ফেলে তার কল্পনার জগৎ। অথচ রূপকথা, স্বপ্ন আর বিস্ময়ের সেই জগতই শৈশবের সবচেয়ে রঙিন স্মৃতিগুলোর একটি। প্রতি বছর ২৪ জুন পালিত ‘পরী দিবস’ সেই হারিয়ে যাওয়া কল্পনাশক্তিকে নতুন করে উদযাপনের একটি বিশেষ উপলক্ষ।

বিশ্বের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে পরীদের ঘিরে রয়েছে অসংখ্য গল্প, কিংবদন্তি ও লোককথা। কোথাও তারা প্রকৃতির রক্ষক, কোথাও সৌভাগ্যের প্রতীক, আবার কোথাও রহস্যময় জাদুকরী চরিত্র হিসেবে পরিচিত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এসব গল্প মানুষের কল্পনার জগতকে সমৃদ্ধ করেছে।

পরী দিবসের মূল বার্তা হলো সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা। শিশুদের জন্য এটি রূপকথার চরিত্র, গল্প ও কল্পনার আনন্দে মেতে ওঠার দিন। অন্যদিকে বড়দের জন্য দিনটি হয়ে ওঠে শৈশবের স্মৃতি রোমন্থনের উপলক্ষ।

অনেকেই এ দিনে রূপকথা-ভিত্তিক পোশাক পরেন, গল্প পাঠ করেন, চিত্রাঙ্কন বা সৃজনশীল নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পরীদের নিয়ে নানা ছবি, গল্প ও শিল্পকর্ম ভাগাভাগি করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কল্পনাশক্তি শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এটি মানুষের সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নতুন ধারণা তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরী দিবসের মতো আয়োজন মানুষকে স্বপ্ন দেখতে এবং নতুন সম্ভাবনা কল্পনা করতে উৎসাহিত করে।

আধুনিক জীবনের বাস্তবতার মধ্যেও এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, মানুষের জীবনে কল্পনা ও বিস্ময়ের আলাদা মূল্য রয়েছে। কারণ অনেক বড় আবিষ্কার, শিল্পকর্ম কিংবা সৃষ্টিশীল উদ্যোগের শুরু হয় এক টুকরো কল্পনা থেকেই।

পরী দিবস তাই শুধু রূপকথার চরিত্রকে স্মরণ করার দিন নয়; এটি মানুষের অন্তর্নিহিত সৃজনশীলতা, স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা এবং জীবনের সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়ার এক প্রতীকী উদযাপন।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ