বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মিরপুরে অভিযান অব্যাহত থাকবে: শফিকুল ইসলাম দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২৩৫ ইউনিটের বিল ৫০৭ কোটি টাকা, গ্রাহককে ফোন করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ পূর্বাচলে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুজনের কারাদণ্ড তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক কাজ শুরু, সমীক্ষার প্রস্তাব ২৩ কোটি টাকা ইইডির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সাড়ে ৫ কোটি টাকার দুর্নীতির পুনঃতদন্ত দাবি ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে মিরপুর ১০-এ সংঘর্ষ, গাড়ি-ভেকু ভাঙচুর ৫৬ বছর বয়সে উগান্ডার নতুন রাজা এডওয়ার্ড রুকিডি ট্যাটু করলে অজু-গোসল হবে কি, কী বলে ইসলাম?
  • চাপের মধ্যেও কেন চুক্তিকে বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান

    চাপের মধ্যেও কেন চুক্তিকে বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হতে যাওয়া সমঝোতা স্মারককে ইরান পিছু হটা নয়, বরং প্রতিরোধ ও বিজয়ের ফলাফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী বাস্তবতা, অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভক্তি এই অবস্থানকে কঠিন করে তুলেছে।

    সাম্প্রতিক সংঘাতের পর দেশটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং জনগণের একটি অংশ ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সমঝোতার বিরোধিতা করছে। একই সঙ্গে কিছু গোষ্ঠী এই পরিস্থিতিকে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবেও দেখছে।

    ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব চুক্তিটিকে একটি কৌশলগত সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করছে। পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এটিকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দেশটির বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে।

    তবে কট্টরপন্থি অংশ এই চুক্তিকে কঠোরভাবে সমালোচনা করছে। তাদের কেউ কেউ এটিকে মার্কিন প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে সরকারপন্থি শিবির বলছে, সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণেই এই কূটনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য পুরোপুরি পূরণ হয়নি, বরং ইরান এখনো আলোচনার টেবিলে অবস্থান করছে। তবে একই সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক চাপ দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

    চুক্তির বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা শিথিল, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক ইস্যু—সবই এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

    অন্যদিকে, সাধারণ জনগণের মধ্যে চুক্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ এটিকে স্বস্তির সুযোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এর স্থায়িত্ব ও বাস্তব ফলাফল নিয়ে সন্দিহান।

    ইরান সরকার চুক্তিটিকে বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করলেও, বিশ্লেষকরা বলছেন প্রকৃত মূল্যায়ন হবে অর্থনৈতিক স্থিতি, যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ