বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

বিশ্বজুড়ে ১২০ বিপজ্জনক ল্যাবে গবেষণা, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন

বিশ্বজুড়ে ১২০ বিপজ্জনক ল্যাবে গবেষণা, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের সাবেক পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড দাবি করেছেন, বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে ১২০টির বেশি জৈব গবেষণাগারে (বায়ো-ল্যাব) দীর্ঘদিন ধরে অর্থায়ন করে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।

নতুনভাবে অবমুক্ত কিছু নথির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এসব গবেষণাগারে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও সংক্রামক জীবাণু নিয়ে কাজ করা হতো।

অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ওডিএনআই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব ল্যাবে ‘গেইন-অব-ফাংশন’ নামের বিতর্কিত গবেষণাও পরিচালিত হতো, যেখানে ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, এসব কার্যক্রম খুবই সীমিত নজরদারির মধ্যে পরিচালিত হয়েছে এবং তা বিশ্ব স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও জানান, ওডিএনআই অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে যাতে এসব ল্যাবের অবস্থান ও সেখানে ব্যবহৃত প্যাথোজেন শনাক্ত করা যায় এবং বিতর্কিত গবেষণা বন্ধ করা সম্ভব হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের ৪০টিরও বেশি গবেষণাগার সাবেক সোভিয়েত যুগের বায়ো-ওয়েপন প্যাথোজেন নিয়ে কাজ করেছে, যেখানে অ্যানথ্রাক্স, ইবোলা, সার্স, মার্সসহ মারাত্মক জীবাণু ব্যবহৃত হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে আলোচনার মধ্যে ‘গেইন-অব-ফাংশন’ গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অর্থায়ন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন