গ্রাহকদের জন্য সীমিতভাবে খোলা থাকছে ব্যাংকিং কার্যক্রম

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে এসব এলাকায় গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যাতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা যায়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স বিভাগ থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সোমবার জারি করা ওই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী বন্দর ও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথ খোলা রাখতে বলা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে ব্যাংকগুলো সীমিত আকারে সেবা দিচ্ছে।
এছাড়া দেশের শিল্পাঞ্চলভিত্তিক বিশেষ শাখাগুলো ১৮ ও ১৯ মার্চ (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) খোলা থাকবে। এই দুই দিন ব্যাংকের কার্যক্রম চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এবং গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। জোহরের নামাজের জন্য দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি থাকবে।
এই সুবিধা দেশের প্রধান শিল্প ও পোশাক খাতের অঞ্চল—সাভার, গাজীপুর, টঙ্গী, আশুলিয়া, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে কার্যকর থাকবে।
অন্যদিকে ১৭ মার্চ এবং ২০ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো নিজেদের সুবিধামতো গ্রাহক লেনদেনের সময় নির্ধারণ করতে পারবে।
উল্লেখ্য, আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হলে সেদিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে।