শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
Natun Kagoj

লিটন দাস ৭৫ লাখে রংপুরে : সোহান বললেন, ‘ভাবতেই পারিনি’

লিটন দাস ৭৫ লাখে রংপুরে : সোহান বললেন, ‘ভাবতেই পারিনি’
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম পদ্ধতি প্রত্যাবর্তনের দিনে বেশ কিছু চমক দেখা গেছে। দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত এই নিলামে সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়েছেন ওপেনার নাঈম শেখ।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নিলামে নাঈম শেখকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। এই মূল্য এবারের নিলামের সর্বোচ্চ।
অন্যদিকে, 'এ' ক্যাটাগরির আরেক তারকা ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসকে তুলনামূলক কম মূল্যে পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। তাকে ৭৫ লাখ টাকায় দলে নেওয়া হয়েছে। নাঈম শেখের চেয়ে কম মূল্যে লিটন দাসকে পেয়ে রংপুর রাইডার্স ম্যানেজমেন্ট নিজেদের সৌভাগ্যবানই মনে করছে।

এছাড়াও, আরও কয়েকজন ক্রিকেটার লিটন দাসের চেয়ে বেশি মূল্যে দল পেয়েছেন। এই নিলাম প্রমাণ করল যে, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে খেলোয়াড়ের সাম্প্রতিক ফর্ম এবং বিশেষ দক্ষতার মূল্যায়ন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষককে তুলনামূলক কম দামে দলে ভেড়ানোকে বাড়তি পাওয়া বলছেন রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। নিলাম শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সোহান বলছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে টপ অর্ডারের অনেক দায়িত্ব থাকে। আমাদের টপ অর্ডার অনেক হেভি। আমরা খুশি। লিটনকে ৭০ লাখে পাব এটা আশা করিনি।’

জাতীয় দলের অধিনায়ক লিটনকে পেয়ে রংপুর রাইডার্সকে নিয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে সোহান, ‘লিটন এখন যে ধরনের ক্রিকেট খেলছে, তাতে ওর হাত ধরে রংপুর আরও এগিয়ে যাবে। লিটনকে ৭০ লাখে পাওয়াটা বাড়তি পাওয়া। তবে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা ছিল।’ প্রসঙ্গত, হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় কিনেছে রংপুর।

যদিও নিলাম থেকে রংপুরের সেরা ক্রিকেটার কে বা কাকে বেশি মূল্যবান ভাবছেন প্রশ্নে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে গ্লোবার সুপার লিগে চ্যাম্পিয়ন করা সোহান বলেন, ‘দলে ১৪ বা ১৫ জন যেই থাকুক না কেন– প্রতিটি খেলোয়াড়ই আমার কাছে সমান মূল্যবান। আর একটি দল হিসেবে খেলতে গেলে আমার বিশ্বাস– প্রতিটি খেলোয়াড়কেই সমানভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।’

দেশি ক্রিকেটার নির্ভর স্কোয়াড গড়তে পেরে খুশি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার, ‘প্রতিবছরই যেমন হয়, আমরা বিদেশি খেলোয়াড়দের ওপর বেশ নির্ভর করে থাকি। কিন্তু তারা যেহেতু আসা–যাওয়ার মধ্যে থাকে, তাই দলে সমন্বয়ের একটা ঘাটতি তৈরি হয়। সেই জায়গা পূরণ করার লক্ষ্যেই আমরা চেয়েছি সাত-আটজন স্থানীয় খেলোয়াড় মাঠে নামবে, তারা যেন জাতীয় দল-ধাঁচেরই থাকে। আর স্থানীয়দের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই আমরা যেন সবচেয়ে ভালো দলটা করতে পারি– এটাই ছিল মূল লক্ষ্য।’


 


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ