শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ইফতির সহায়তায় টিকে রইলো আতিফার পড়াশোনার স্বপ্ন

    ইফতির সহায়তায় টিকে রইলো আতিফার পড়াশোনার স্বপ্ন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    লালমোহনের মেয়ে আতিফা ভোলা সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সমাজকর্ম বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় সুযোগ পেলেও এবং পারিবারিক বিভিন্ন সংকটে ভর্তি সম্ভব হচ্ছিল না, তার পড়াশোনার স্বপ্ন শেষ হওয়ার পথে যাচ্ছিলো। 

    এই খবর পৌঁছায় ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আরাফাত ইসলাম ইফতির কাছে। আতিফার স্বপ্ন থেমে যেতে না দেওয়ার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ইফতি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তার উদ্যোগে আতিফা পুনরায় রিলিজ স্লিপে আবেদন করে সমাজকর্ম বিভাগে সুযোগ পান। অবশেষে ইফতির সহায়তায়, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে আতিফা ভর্তি হন ভোলা সরকারি কলেজের সমাজকর্ম বিভাগে। শুধু ভর্তি নয়, আগামী চার বছরের পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্বও নিয়েছেন ইফতি।

    ভর্তির সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুল আহসান। তিনি এ বিষয়ে বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার এমন উদ্যোগ সত্যিই অনুকরণীয়। ইফতির মতো শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব আজকের সমাজে খুবই প্রয়োজন। নানান সংকটের কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন মাঝপথে থেমে যায়। একজন প্রকৃত ছাত্রনেতা শুধু রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ায়ও তাকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হয়।”

    আতিফা জানান, ভোলা সরকারি কলেজে পড়ার ইচ্ছা আমার সেই ছোটবেলা থেকে। এবার যখন সুযোগ আসে এবং আমি ভর্তি পরিক্ষা দিয়ে টিকে গেলাম কিন্তু নানান সংকটের কারনে ভর্তি আটকে গেলো। একটা সময় মনে হয়েছে আমার স্বপ্ন এখানেই শেষ, মনও স্থির করি আর পড়বোই না। তবে আমার এক মামার মাধ্যমে ইফতি ভাইয়ের সঙ্গে আলাপ হয়। প্রথম দিন থেকে উনি আমাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সাহায্য করেছেন এবং সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছেন। ভর্তির দিনেও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব কাজ উনি নিজে হাতে করে দিয়েছেন। আমি তাঁর কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।” 

    ছাত্রদল নেতা ইফতি বলেন, “কোনো শিক্ষার্থী যেন আর্থিক বা কোন সংকটের কারণে পড়াশোনা বন্ধ না করে। আতিফার পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব মনে হয়েছে। শিক্ষা ছাড়া মানুষের প্রকৃত মুক্তি নেই। ছাত্রদল বিশ্বাস করে—প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে মানবিক সহযোগিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। আমরা সেই শক্তি হতে চাই। 

    ভোলায় ছাত্রদল নেতার এই উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছে এটাই রাজনীতির প্রকৃত রূপ, যেখানে নেতারা কেবল কথা নয়, বাস্তবে কাজের মাধ্যমে মানবিকতা ছড়িয়ে দেন।

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও ছাত্রদল নেতা ইফতির উদ্যোগে ভোলা জেলা ছাত্রদলের সার্বিক তত্বাবধায়নে আর্থিক ভাবে অসচ্ছ্বল ভোলা সরকারি কলেজের ১২ শিক্ষার্থী কলেজ ছাত্রদল এর পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগীতা করা হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন