শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ৭২ ঘণ্টা জিম্মি থাকার পর মুক্তিপণে মুক্ত তিন কৃষক

    ৭২ ঘণ্টা জিম্মি থাকার পর মুক্তিপণে মুক্ত তিন কৃষক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায়  অপহরণের শিকার হওয়া তিন জন স্থানীয় কৃষক তিন দিন অপহরণ কারীদের হাতে জিম্মি থাকার পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি  ফিরেছেন। অপহরণের স্বীকার  ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, অপহরণকারীরা তাদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ নিয়ে তাদেরকে  ছেড়ে দিয়েছেন।

    মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি আসা  ব্যক্তিরা হলেন- ওই ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া এলাকার মো. আব্দুল্লাহর ছেলে মো. আলী (৩২), আবুল মনজুরের ছেলে রহমত উল্লাহ (১৬) এবং আব্দুস সালামের ছেলে সুলতান আহমদ (৩৪)।

    গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রথমে কৃষক মো. আলীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। দুপুরে ক্ষেত-খামারে যাওয়ার সময় রহমত উল্লাহ এবং পানের বরজে কাজ করার সময় সুলতান আহমদকে একই কায়দায় অপহরণ করে নিয়ে যায় চক্রটি।

    অপহরণের পর তাদের তিন জনকে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৭২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাদের কে  আটকে রেখে নির্যাতনের পাশাপাশি মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অবশেষে রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুক্তিপণের টাকা পরিশোধের পর তারা অসুস্থ শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

    ভুক্তভোগী মো. আলীর স্বজন ইমাম হোসেন বলেন, ‘তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
    তিনিসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে টেকনাফে অপহরণ এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এর আগেও অনেক ভুক্তভোগী মুক্তিপণ দিয়ে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।’ তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে উখিয়া ও  টেকনাফে সাধারণ মানুষের পক্ষে নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব হবে না।’ তাই দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান এলাকাবাসী ।

    টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, ‘অপহরণ হওয়া তিন কৃষক বাড়ি ফেরার খবর পেয়েছি।’
    কক্সবাজার জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মাসে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ২৬৩ জনকে অপহরণ করেছে অপহরণ কারী চক্র । তাদের মধ্যে থেকে অধিকাংশকে মুক্তিপণ দিয়েই ফিরতে হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন