বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি মিরপুরে সংঘর্ষ-গাড়িতে আগুন, চার মামলায় আসামি প্রায় ১ হাজার ত্রুটি মেরামতের পর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নিরাপত্তা ভাল্বের পরীক্ষা সফল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর পদত্যাগ করছেন বিএনপির এমপি মিষ্টি যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুমকি-ধমকিতে বিএনপি ভীত নয়: মীর শাহে আলম সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে ওটিপি বাধ্যতামূলক ‘সময় এসে গেছে’, ইরান ইস্যুতে কঠোর বার্তা ট্রাম্পের পাকিস্তানের কাছে হেরে ফাইনাল হাতছাড়া বাংলাদেশের ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১,৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ‘অং সান সু চি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—নেই কোনো নিশ্চয়তা’

    ‘অং সান সু চি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—নেই কোনো নিশ্চয়তা’
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আইকন ও সাবেক নেত্রী অং সান সু চির মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁর ছেলে কিম আরিস। তিনি অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সামরিক হেফাজতে থাকা সু চির শারীরিক অবস্থার কোনো তথ্য বাইরে আসছে না। ফলে তিনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—সেটিও জানার উপায় নেই।

    শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিম বলেন, “আমার মা এখন খুবই অসুস্থ। তাঁর জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। এক মাস আগে তাঁকে একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়েছে কি না, আমরা জানি না।”

    কিম আরিস আরও জানান, সু চির সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা অং সান সু চির মুক্তি ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাপ প্রয়োগ করে।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে নোবেলজয়ী এই নেত্রী কারাগারে ও পরে গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে একাধিক মামলায় দীর্ঘ কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহল ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করছে।

    আরিস বলেন, তাঁর মায়ের হাড় ও দাঁতেরও সমস্যা আছে। সম্ভবত গত মার্চের ভূমিকম্পের সময় থেকে তিনি এসব জটিলতায় ভুগছেন।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সু চির চিকিৎসার আবেদনের বিষয়ে মিয়ানমারের সরকার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

    ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের পর থেকে সামরিক হেফাজতে আছেন সু চি। এই সামরিক অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা নেন জেনারেল মিন আং হ্লাইং। সু চির বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমে তাঁর ৩৩ বছরের কারাদণ্ড হয়, পরে তা ছয় বছর কমানো হয়েছে।

    গ্রেপ্তারের পর থেকেই সু চির অবস্থান অজানা। গত বছর আইনজীবীদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, সু চি রাজধানী নেপিডোর একটি কারাগারে আছেন। তবে গত এক বছর ধরে সু চির সঙ্গে আইনজীবীদের সাক্ষাৎ হয়নি। একই বছর তাঁর ছেলে কিম আরিস গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ওই বছরই (২০২৪) তিনি তাঁর মায়ের কাছে থেকে একটি চিঠি পেয়েছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন