শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • ভারতীয় গো-মাংস শিল্পে মোদির আমলে অপ্রত্যাশিত সাফল্য

    ভারতীয় গো-মাংস শিল্পে মোদির আমলে অপ্রত্যাশিত সাফল্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার আগে গরুর মাংস রপ্তানি নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ছিলেন , কিন্তু তার আমলে ভারতের গো-মাংস শিল্প ক্রমেই ফুলেফেঁপে উঠেছে। বর্তমানে ভারত ৬৫টি দেশে মাংস রপ্তানি করছে।

    বছরে ৪৩ কোটি ডলারের বাজারে দেশটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মুসলিম মিরর।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ক্ষমতায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস সরকারের ‘পিঙ্ক রেভলিউশন’ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন, মনমোহন সিংয়ের সরকার ভারতের বেড়ে চলা গরুর মাংস রপ্তানি ইচ্ছাকৃতভাবে উৎসাহিত করেছে, যাতে ১৪ শতাংশ মুসলিম ভোটারকে খুশি রাখা যায়।

    কিন্তু বাস্তবে ভারতের গো-মাংস শিল্প থামানো সহজ নয়। গরু জবাই নিয়ে একক ও সুসংহত আইন না থাকায় নানা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে লোকজন তা চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তের ভেতরে গরু পাচার করে নিয়ে যাওয়া হয় এমন রাজ্যে, যেখানে শাস্তি কম কিংবা নেই। ফলে ব্যবসা আগের মতোই চলছে।

    বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গরুর মাংস রপ্তানিকারক দেশ। প্রতিবছর এ খাত থেকে দেশটি আয় করছে প্রায় ৪৩ কোটি ডলার। তালিকার শীর্ষে ব্রাজিল, এরপর ভারত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

    ভারতের গো-মাংস রপ্তানি শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। তবে মোদির শাসনামলে গত এক দশকে তা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভারত ৬৫টি দেশে মাংস রপ্তানি করছে। ভারতীয় গরুর মাংসের বিশেষ চাহিদা রয়েছে, কারণ প্রাকৃতিক চারণভূমিতে বেড়ে ওঠা গরু বা মহিষ থেকে এই মাংস পাওয়া যায়।

    অবশ্য গরু বনাম মহিষের মাংস রপ্তানি নিয়ে ভারতে বরাবরই বিতর্ক রয়েছে। বলা হয়, ভারতের রপ্তানিকৃত মাংসের বড় অংশই মহিষের। বিশ্বে থাকা মহিষের অর্ধেকেরও বেশি রয়েছে ভারতে। যার সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ। প্রতিবছর ভারত প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরুর মাংস উৎপাদন করে।

    তবে গরুর মাংস রপ্তানির পক্ষে যুক্তিও আছে। ভারতে ৭ কোটি ৬০ লাখ গরু রয়েছে এবং দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুধ উৎপাদনকারী দেশ। অনেক গরুই বয়সের কারণে দুধ উৎপাদনে অক্ষম হয়ে পড়ে, এরপর তাদের চামড়া ও মাংস রপ্তানির কাজে ব্যবহার করা হয়।

    অনেক হিন্দু গরুর মাংস রপ্তানির কথা অস্বীকার করলেও শিল্পের সঙ্গে যুক্তরা বলছেন, লাভজনক এ খাতে গরুর মাংসও ভূমিকা রাখছে।

    ভারতে এ শিল্পের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাও বিপুল। উপসাগরীয় ধনী দেশগুলোতে মাংস রপ্তানির বিশাল বাজার হিন্দু ব্যবসায়ীদেরও এই কাজে টেনে এনেছে। ভারতের শীর্ষ ছয় রপ্তানিকারকের মধ্যে চারজনই হিন্দু উদ্যোক্তা বলে সংবাদমাধ্যটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন