শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • রাশিয়া-ইউক্রেন বাফার জোন: বাংলাদেশ ও সৌদি সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব

    রাশিয়া-ইউক্রেন বাফার জোন: বাংলাদেশ ও সৌদি সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি বাফার জোন গড়ে তোলার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানায়, এই বাফার জোনের পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব দিতে পারে।

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ন্যাটো-সদস্য নয় এমন দেশগুলোর সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে সৌদি আরব এবং বাংলাদেশও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। বাফার জোনের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি স্থাপনকে এগিয়ে নেওয়া লক্ষ্য।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, বাফার জোনটি হবে একটি বড় নিরস্ত্রীকৃত এলাকা, যার সুনির্দিষ্ট সীমানা এখনো ঠিক হয়নি। জোনের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্র উন্নত প্রযুক্তি—ড্রোন, স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহার করে নজরদারির দায়িত্ব পালন করবে। তবে সরাসরি মার্কিন সেনা ইউক্রেনে পাঠানো হবে না। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ন্যাটো-বহির্ভূত দেশগুলোর সেনারা।

    এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ন্যাটোর কোনো রূপ অংশগ্রহণকে ‘লাল রেখা’ (রেড লাইন) হিসেবে দেখছেন। এজন্যই পরিকল্পনায় ন্যাটোর পরিবর্তে বাংলাদেশ বা সৌদি আরবের মতো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে পুতিন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নেতাদের সম্মতির ওপর।

    গত ১৫ আগস্ট আলাস্কায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকের পর এই পরিকল্পনা নতুন করে গতি পায়। যদিও সরাসরি আলোচনায় প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তবুও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে আলোচনায় সক্রিয় রয়েছে।

    এদিকে, শুক্রবার পুতিন বিদেশি সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, শান্তিচুক্তি হলে রাশিয়া তা পূর্ণভাবে মানবে। তাই অন্য দেশের সেনার উপস্থিতির কোনো যৌক্তিকতা নেই।

    তিনি বলেন, ইউক্রেনে সম্ভাব্য সামরিক বাহিনী মোতায়েন- এটি দেশটিকে ন্যাটোতে টানার একটি প্রাথমিক কারণ।... এবং যদি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যা শান্তির দিকে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তির দিকে পরিচালিত করবে, তাহলে আমি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে তাদের উপস্থিতির কোনো অর্থ দেখতে পাচ্ছি না। এতটুকুই। কারণ যদি এই চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয়, তাহলে কেউ সন্দেহ করবেন না যে রাশিয়া এগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে। আমরা সেই নিরাপত্তা গ্যারান্টিগুলোকে সম্মান করবো, যা অবশ্যই রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়ের জন্যই তৈরি করা উচিত। এবং আমি আবারও বলছি, অবশ্যই রাশিয়া চুক্তিটি পূরণ করবে।

    এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক প্রবাহ সচল রাখতে তুরস্ক দায়িত্ব পালন করবে বলে আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালাচ্ছে।

    বর্তমানে এসব পরিকল্পনা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। নিয়ম-কানুন, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও সেনা মোতায়েনের ধরন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন