শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • কম খরচে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ সিঙ্গাপুরে

    কম খরচে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ সিঙ্গাপুরে
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সিঙ্গাপুর, যা আধুনিক অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত, সবসময়ই ভ্রমণপ্রেমী ও প্রবাসে স্থায়ী হতে ইচ্ছুকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় গন্তব্য। এবার দেশটি পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি (পিআর) বা স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

    এই সুযোগের মাধ্যমে প্রার্থীরা সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করতে পারবেন। এছাড়া, ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথও উন্মুক্ত হবে। আবেদন ফি মাত্র ৬,৯০০ রুপির কম। তবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।

    এই নতুন উদ্যোগটি ভ্রমণপ্রেমী ও প্রবাসীদের জন্য সিঙ্গাপুরে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। (সূত্র: এনডিটিভি)

    যারা আবেদন করতে পারবেন: সিঙ্গাপুরের পিআর হলো নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বিদেশিদের স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাসের অনুমতি। অনুমোদিত হলে আবেদনকারীকে নীল রঙের পরিচয়পত্র দেয়া হয়। আবেদনকারীর যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে-সিঙ্গাপুরে অন্তত দুই বছর বসবাসরত শিক্ষার্থী, 
    ২১ বছরের কম বয়সী যাদের বাবা-মা সিঙ্গাপুরের নাগরিক বা পিআর রয়েছে, সিঙ্গাপুরের নাগরিক বা পিআর ধারকের স্ত্রী/স্বামী, সিঙ্গাপুরের নাগরিক বা পিআর ধারকের নির্ভরশীল, অন্তত ১ কোটি সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা) বিনিয়োগকারী বিদেশি, দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে কর্মরত এবং এম্প্লোয়ার পাস, এস পাস বা নির্দিষ্ট অন্যান্য পাসধারী কর্মী।

    প্রয়োজনীয় নথি: পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠা, বৈধ ভ্রমণ নথি, বৈধ ইমিগ্রেশন পাস, এমপ্লয়মেন্ট পাস (প্রযোজ্য হলে), আবেদনকারীর ছবি, জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদ, শেষ ছয় মাসের বেতন স্লিপ, স্পন্সরের পরিচয়পত্র, আগের নিয়োগদাতার সুপারিশপত্র, বিয়ের সনদ (প্রযোজ্য হলে), জীবনসঙ্গীর শিক্ষাগত ও কর্মসংক্রান্ত নথি। ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষার সব নথির সঙ্গে নোটারি অনুবাদ থাকতে হবে।

    আবেদনের ধাপ:

     ১. ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (আইসিএ)–এর সরকারি ই-সার্ভিস পোর্টালে গিয়ে যোগ্যতা যাচাই
     ২. সিংপাস দিয়ে লগইন
     ৩. অনলাইন ফরম পূরণ ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড
     ৪. ফেরতযোগ্য নয় এমন এসজিডি ১০০ (প্রায় ৬,৮৩৪ টাকা) ফি প্রদান 
     ৫. সাধারণত ৪-৬ মাসে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তবে সময় ভিন্ন হতে পারে 
     ৬. অনুমোদনের পর পুনঃপ্রবেশের অনুমতিপত্র (Re-entry Permit) ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NRIC) সংগ্রহসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন