সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডিএমপিতে এসি পদমর্যাদার ৩ কর্মকর্তার পদায়ন, একজনের বদলি বাতিল ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০ পারসেন্ট দিয়েন: আসিফ মাহমুদ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গুর উপসর্গে আরও দুজনের মৃত্যু ফিট শরীরের জন্য প্রতিদিনের ৫ সহজ অভ্যাস মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশের অগ্রগতির চাবিকাঠি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদ ছাত্রদলের ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৭ সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় আহত স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
  • দাদি-নানিদের টোটকা: ত্বকের যত্নে এখনো অপ্রতিরোধ্য

    দাদি-নানিদের টোটকা: ত্বকের যত্নে এখনো অপ্রতিরোধ্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাপানি সিরাম, কোরিয়ান শিট মাস্ক, দামী দামী ময়েশ্চারাইজার আর দশ ধাপের স্কিনকেয়ার রুটিন। আধুনিক রূপচর্চায় এসব এখন যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। অথচ এক সময় ঘরের রান্নাঘরেই ছিল রূপচর্চার আসল উপকরণ। কোনটা কখন ব্যবহার করতে হবে, কোন উপকরণে ত্বক ভালো থাকবে, কোনটি উজ্জ্বলতা বাড়ায়, এসব কিছুই জানতেন আমাদের নানিরা।

    ঝকঝকে বোতলে নয়, বরং ছোট কাচের বাটিতে রাখা হালকা হলুদে রঙের উবটানেই ছিল সৌন্দর্যের গোপন রহস্য। দামি স্কিনকেয়ার পণ্যের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া সেই ঘরোয়া উপকরণগুলোর মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে সবচেয়ে টেকসই ও স্বাস্থ্যকর সমাধান।

    নানির সেই পরীক্ষিত কয়েকটি রূপচর্চার কৌশল নিয়ে আজকের আয়োজন।

    বেসন-হলুদের উবটান

    গোসলের আগে নানি একটি মিশ্রণ তৈরি করতেন, বেসন, এক চিমটি হলুদ আর দুধ বা টক দই মিশিয়ে। এটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে তারপর আলতো ঘষে তুলে ফেলা হতো। হলুদে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, আর বেসন ত্বক পরিষ্কার ও এক্সফোলিয়েট করে। টানা ব্যবহারে ত্বক হয় উজ্জ্বল, ট্যান কমে যায় আর ত্বক টানটান থাকে।

    মালাইয়ের ময়েশ্চার

    বাজারচলতি ময়েশ্চারাইজার না থাকলেও নানির ছিল নিজস্ব সমাধান, মালাই। ঘরে তৈরি দুধের এই পুরু স্তরটি তিনি মুখে লাগিয়ে রাখতেন ১৫ মিনিট। এতে ত্বক হতো মসৃণ, কোমল। ল্যাকটিক অ্যাসিড ও প্রাকৃতিক ফ্যাটে ভরপুর মালাই ছিল তখনকার দিনের ‘হায়ালুরনিক অ্যাসিড’।

    তাজা অ্যালোভেরা

    নানির বাগানে ছিল একগুচ্ছ অ্যালোভেরার গাছ। বাজার থেকে কেনা জেল নয়, বরং পাতা কেটে সরাসরি ত্বকে লাগাতেন তিনি। রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক হোক কিংবা ব্রণের সমস্যা, এই প্রাকৃতিক জেল ছিল তার নির্ভরতার নাম।

    শসা আর গোলাপজল চোখের যত্নে

    ক্লান্ত চোখ, ডার্ক সার্কেল, ফোলাভাব, এসবের সমাধান ছিল নানির খুব চেনা দুটি উপকরণে। ফ্রিজ থেকে বের করে আনা ঠান্ডা শসার স্লাইস আর তুলার বলের ওপরে ছিটানো গোলাপজল। এই মিশ্রণ ঠান্ডা প্রভাব এনে চোখের নিচের ত্বককে আরাম দিত, কমাত ক্লান্তির ছাপ।

    নারকেল তেল, সবার আগে সবখানে

    ঠোঁট ফাটা, পায়ের গোড়ালি রুক্ষ, এমনকি মেকআপ তুলতেও একটাই উপায়, নারকেল তেল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই একটি উপাদানই ছিল স্কিন ও হেয়ার কেয়ারের অন্যতম প্রধান সঙ্গী। এটি শুধু পুষ্টি যোগায় না, বরং ছত্রাক প্রতিরোধেও কার্যকর।

    নানিদের সৌন্দর্যচর্চায় ছিল ধৈর্য, ছিল নিয়ম, আর ছিল ঘরোয়া উপাদানের প্রতি বিশ্বাস। তারা জানতেন, প্রকৃতির কাছেই লুকিয়ে আছে ত্বকের সব সমস্যার সহজ ও কার্যকর সমাধান। দামি বোতলের বাইরে বেরিয়ে একটু ঘরোয়া পথে হাঁটলে ত্বকও হয়তো ফিরে পেতে পারে তার প্রকৃত সৌন্দর্য।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ