রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু সিলেটে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ার বেশি না নিতে নির্দেশ দিল পরিবহন মালিক সমিতি স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা! নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল নাহিদা বৃষ্টির লাশ ঢাকা-সিলেট রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ডাবল লাইন : প্রধানমন্ত্রী নতুন কারিকুলামে ডিসেম্বরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা হামে প্রাণ গেল আরও ৪ শিশুর বৃষ্টির বাধায় অনিশ্চিত ম্যাচ, কীভাবে ঠিক হবে ম্যাচের ভাগ্য? সিলেটে বাঁশিয়া খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান: জ্বালানিমন্ত্রী
  • হিমাচল প্রদেশে মুষলধারে বৃষ্টি, প্রাণহানি ৩০, জরুরি সতর্কতা জারি

    হিমাচল প্রদেশে মুষলধারে বৃষ্টি, প্রাণহানি ৩০, জরুরি সতর্কতা জারি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতের হিমাচল প্রদেশে কয়েকদিন ধরে চলমান ভারী বর্ষণে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব বিভাগের বিশেষ সচিব ডিসি রানা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এই দুর্যোগে ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৩৪ জন।

    গত ১৯ জুন থেকে রাজ্যজুড়ে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই অবিরাম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে সৃষ্ট ভূমিধস, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যা বহু অঞ্চলে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে মান্ডি, কুলু ও শিমলা—এই তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মান্ডি জেলাতেই একদিনে মারা গেছেন ১০ জন।

    এদিকে, রাজ্যজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী কয়েকদিন আরও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

    উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম চালাতে NDRF, SDRF ও সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে শতাধিক সড়ক ও বেশ কয়েকটি রেললাইন। পর্যটকদের জন্য হিমাচলের অধিকাংশ এলাকায় যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার জরুরি ত্রাণ সহায়তা ও অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র চালু করেছে।

    হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু এক বিবৃতিতে বলেন, “এই দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাশে সরকার আছে। সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।”

    তিনি বলেন, ২৯ এবং ৩০ জুন পুরো অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় হঠাৎ ভারী বর্ষণ এবং ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন