রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু সিলেটে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ার বেশি না নিতে নির্দেশ দিল পরিবহন মালিক সমিতি স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা! নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল নাহিদা বৃষ্টির লাশ ঢাকা-সিলেট রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ডাবল লাইন : প্রধানমন্ত্রী নতুন কারিকুলামে ডিসেম্বরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা হামে প্রাণ গেল আরও ৪ শিশুর বৃষ্টির বাধায় অনিশ্চিত ম্যাচ, কীভাবে ঠিক হবে ম্যাচের ভাগ্য? সিলেটে বাঁশিয়া খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান: জ্বালানিমন্ত্রী
  • যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ফের চালু, কঠোর শর্তের আওতায়

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ফের চালু, কঠোর শর্তের আওতায়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা আবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ শুরু করছে। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (সোশ্যাল মিডিয়া) অ্যাকাউন্টগুলি প্রদান করতে হবে, যা ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে।

    সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রাখবেন এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, সংস্কৃতি, সরকার, প্রতিষ্ঠান বা দেশের প্রতিষ্ঠার মূলনীতির বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষমূলক মনোভাব আছে কি না তা যাচাই করবেন।

    ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিমালার আওতায় পড়বে এফ ভিসা, যা মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এম ভিসা ও জি ভিসাও (কারিগরি শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য) এই নিয়মের প্রভাবের মধ্যে থাকবে।

    যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রোফাইল প্রাইভেট রাখবেন, তাদের ওপর সন্দেহ করা হবে যে তারা তথ্য গোপন করার চেষ্টা করছেন।

    একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকরা প্রত্যাশা করেন যে তাদের সরকার দেশকে নিরাপদ রাখার জন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেবে এবং ট্রাম্প প্রশাসন সেটাই করছে।

    ভিসা অফিসারদের আরও বলা হয়েছে, তারা যেন বিদেশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বা সহায়তা দেয় এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করেন এবং যারা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, কিংবা ইহুদিবিরোধী সহিংসতা বা হয়রানিতে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কঠোর নজরদারির অংশ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এসব প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাসে চলা ফিলিস্তিনি-সমর্থক বিক্ষোভের সময় ইহুদি-বিরোধী কর্মকাণ্ডের যথাযথ মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    ট্রাম্প প্রশাসন এর অংশ হিসেবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি অর্থায়ন স্থগিত করেছে, ছাত্রদের ভিসা বাতিলের চেষ্টা চালিয়েছে এবং বিতাড়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই উদ্যোগগুলো মার্কিন আদালত আটকে দিয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন