বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ হাসানের ছোবলে অস্ট্রেলিয়া বিধ্বস্ত, ডারউইনে রূপকথার শুরু
  • যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ফের চালু, কঠোর শর্তের আওতায়

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ফের চালু, কঠোর শর্তের আওতায়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা আবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ শুরু করছে। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (সোশ্যাল মিডিয়া) অ্যাকাউন্টগুলি প্রদান করতে হবে, যা ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে।

    সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রাখবেন এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, সংস্কৃতি, সরকার, প্রতিষ্ঠান বা দেশের প্রতিষ্ঠার মূলনীতির বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষমূলক মনোভাব আছে কি না তা যাচাই করবেন।

    ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিমালার আওতায় পড়বে এফ ভিসা, যা মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এম ভিসা ও জি ভিসাও (কারিগরি শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য) এই নিয়মের প্রভাবের মধ্যে থাকবে।

    যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রোফাইল প্রাইভেট রাখবেন, তাদের ওপর সন্দেহ করা হবে যে তারা তথ্য গোপন করার চেষ্টা করছেন।

    একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকরা প্রত্যাশা করেন যে তাদের সরকার দেশকে নিরাপদ রাখার জন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেবে এবং ট্রাম্প প্রশাসন সেটাই করছে।

    ভিসা অফিসারদের আরও বলা হয়েছে, তারা যেন বিদেশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বা সহায়তা দেয় এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করেন এবং যারা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, কিংবা ইহুদিবিরোধী সহিংসতা বা হয়রানিতে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কঠোর নজরদারির অংশ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এসব প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাসে চলা ফিলিস্তিনি-সমর্থক বিক্ষোভের সময় ইহুদি-বিরোধী কর্মকাণ্ডের যথাযথ মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    ট্রাম্প প্রশাসন এর অংশ হিসেবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি অর্থায়ন স্থগিত করেছে, ছাত্রদের ভিসা বাতিলের চেষ্টা চালিয়েছে এবং বিতাড়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই উদ্যোগগুলো মার্কিন আদালত আটকে দিয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন