শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • কর্ণফুলীতে চোরাই তেলের ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৪

    কর্ণফুলীতে চোরাই তেলের ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৪
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কর্ণফুলী নদীতে চোরাই পেট্রোলিয়াম তেল পাচার ও ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়েছে স্থানীয় দুটি রাজনৈতিক গ্রুপ।

    বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০টার দিকে জুলধা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডাঙ্গারচর বিওসি ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চারজনকে আটক করে।

    আটক ব্যক্তিরা হলেন—জুলধা ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাহার (৪৬), আলমগীর, ইউনুস ও শাহনুর। প্রত্যেকেই ডাঙ্গারচর এলাকার বাসিন্দা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এরা সকলে কোনো না কোনো সময় বিএনপি বা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর কর্ণফুলী নদীতে চোরাই ‘পিলাই তেল’ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রভাবশালী বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চরমে ওঠে। ওই সময় থেকেই নদীঘাটের নিয়ন্ত্রণ, তেল ওঠানোর সিরিয়াল ও ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই উত্তেজনা চলছিল।

    বুধবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন প্রকাশ্যে ঘাট দখলে নিতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষ থামায় এবং ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে। তাঁদের উল্টো করে মাটিতে ফেলে রাখার ছবিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

    কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সেনাবাহিনী চারজনকে থানায় এনেছিল। পরে তাদের মধ্যে তিনজনকে আবার নিয়ে গেছে। বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    এদিকে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আটকদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, প্রশাসনের নিরব ভূমিকার কারণেই নদীকেন্দ্রিক এই চোরাই তেল কারবার বহুদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছিল। তারা অবিলম্বে নদীঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়ানো ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন