শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আলোচনায় বাংলাদেশ জ্বালানি পাম্পে পুলিশ সদস্যদের জন্য অগ্রাধিকার লাইন চায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন দেশজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সাইফ-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, লড়াইয়ের পুঁজি ২৪৮ রানের লক্ষ্য ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান ক্ষমতা হস্তান্তরে স্বচ্ছতা ছিল না, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিরোধীদলীয় নেতা এপ্রিল-মে মাসে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নেই, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি প্রতিমন্ত্রীর জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে জাতীয় কমিটির বৈঠক শনিবার সন্ধ্যায় শরিফুলের আঘাতে শুরুতেই ধাক্কা, নিউজিল্যান্ডের ওপেনিং জুটি ভাঙল রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট
  • অর্থমন্ত্রী ‘উজিরে খামোখা’: শামীম হায়দার

    অর্থমন্ত্রী ‘উজিরে খামোখা’: শামীম হায়দার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল উজিরে খামোখা হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

    বুধবার (১ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বিল, ২০২৩’ এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

     

    জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার বলেন, অর্থমন্ত্রী সংসদের শেষ দুই দিনের মধ্যেও উপস্থিত নেই। একটি আইন আসছে ওনার মন্ত্রণালয়ের, হি ইজ আ মিনিস্টার মিসিং অ্যাকশন। ইকোনমিক ক্রাইসিস চলছে। প্রচুর আলোচনা হচ্ছে, ওনাকে দেখা যাচ্ছে না। উনি উজিরে খামোখা হয়ে গেছেন। স্বেচ্ছায় উজিরে খামোখা। দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর মতো আছেন, এটা দেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। কোথায় আছে সেটাও জানি না।

     

     

    তিনি বলেন, দেশে অর্থনীতিবিদের অভাব নেই। দেশের অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান করতে পারবে এরকম লোকের অভাব নেই। আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ উনি দ্বিগুণ চাপ নিচ্ছেন। আমাদের শঙ্কা ২০২৬ সালে বাংলাদেশকে আরও এক থেকে দেড় বিলিয়ন করে টাকা বিদেশি ঋণ শোধ করতে হবে ডলারে। তার মানে ২০২৬ সালে বছরে ডলারের চাহিদা যোগ হবে মিনিমাম ২০ বিলিয়ন শুধু লোন শোধ করার জন্য।

    শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের বহুমুখী ফরেন পলিসি থাকা উচিত। কিন্তু ডলারগুলো আমরা কোথায় পাবো, যেগুলো এখন থেকে ২০২৬ পর্যন্ত লাগবে। এটার উত্তর অর্থমন্ত্রী থাকলে দিতে পারতেন। এতগুলো ডলার জমেছে বিভিন্ন ভুল চুক্তি, ভুল বিনিয়োগ ও ভুল ঋণের কারণে। ভুল ঋণ কেন হয়েছে, কারণ তখন সংসদে এগুলো নিয়ে সার্বিক আলোচনা হয়নি। আলোচনা হলে কিছু কিছু বিষয়ে সরকার পুনরায় চিন্তা করতো। আমি মনে করি এগুলো নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

     

    তিনি আরও বলেন, পলিটিক্যাল ক্রাইসিস আওয়ামী লীগ টেকেল করেছে সারাজীবন, এবং ভালোমতোই সেটি করেছে। এখনও হয়ত পারবে। কিন্তু অর্থনীতি তো সরকারের একার হাতে না, এটা তো গ্লোবাল বিষয়। আমরা যে লোনের জালে পড়ে যাচ্ছি, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। সেজন সমন্বিত আলোচনা প্রয়োজন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন