শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আলোচনায় বাংলাদেশ জ্বালানি পাম্পে পুলিশ সদস্যদের জন্য অগ্রাধিকার লাইন চায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন দেশজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সাইফ-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, লড়াইয়ের পুঁজি ২৪৮ রানের লক্ষ্য ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান ক্ষমতা হস্তান্তরে স্বচ্ছতা ছিল না, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিরোধীদলীয় নেতা এপ্রিল-মে মাসে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নেই, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি প্রতিমন্ত্রীর জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে জাতীয় কমিটির বৈঠক শনিবার সন্ধ্যায় শরিফুলের আঘাতে শুরুতেই ধাক্কা, নিউজিল্যান্ডের ওপেনিং জুটি ভাঙল রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট
  • আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আলোচনায় বাংলাদেশ

    আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আলোচনায় বাংলাদেশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী ১.৩ বিলিয়ন ডলারের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রাজস্ব আহরণ দুর্বলতা এবং ব্যাংকিং খাতে সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতির ঘাটতিকে এ অনিশ্চয়তার কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে বিষয়টি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সংস্থাটি অতিরিক্ত শর্তসহ একটি নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা শুরুর প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

    চলমান ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় চলতি অর্থবছরের জুনে ১.৩ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার আশা করছিল বাংলাদেশ। তবে সংস্কার অগ্রগতির শর্ত পূরণ নিয়ে আইএমএফ কঠোর অবস্থানে থাকায় তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ব্যাংকিং খাত সংস্কারসহ বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তনে অগ্রগতি না হলে পরবর্তী অর্থছাড় নির্ভর করবে সেই অগ্রগতির ওপর।

    এছাড়া সম্প্রতি ব্যাংক রেজল্যুশন বিলে সংশোধন এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীদের ক্ষতিপূরণ বাজেট থেকে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যয় ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স বা বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে করা উচিত।

    এরই মধ্যে ওয়াশিংটনে অবস্থানরত বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল তুলনামূলক সহজ শর্তে অতিরিক্ত অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গেও আলোচনা করছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ, পরে তা বাড়িয়ে ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়। এ পর্যন্ত আইএমএফ ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে।

    গত ডিসেম্বরে একটি কিস্তি ছাড় না হওয়ায় জুনে পাওয়ার কথা থাকা অর্থ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    এদিকে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, দাতাসংস্থাগুলো বাংলাদেশের অর্থায়ন বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ