নস্টালজিয়ার ‘দ্য মমি’ নয়, ভয়ংকর হরর অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন সিনেমা

‘দ্য মমি’ নামটি শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে অ্যাডভেঞ্চারধর্মী সেই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির কথা। তবে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত নতুন ‘দ্য মমি’ সিনেমাটি সেই ধারার একেবারেই ভিন্ন—এটি পুরোপুরি হরর ঘরানার, যেখানে রোমাঞ্চের বদলে প্রাধান্য পেয়েছে ভয় ও অস্বস্তি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি ইতোমধ্যে দেশের প্রেক্ষাগৃহেও প্রদর্শিত হচ্ছে। আইরিশ পরিচালক লি ক্রোনিনের নির্মাণে এটি স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হলে চলছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রাথমিক রিভিউ বলছে, সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে তীব্র অস্বস্তি ও ভয়ের আবহ তৈরি করতে সক্ষম। গার্ডিয়ানের মতে, ছবির দৈর্ঘ্য কিছুটা বেশি হলেও তা ভৌতিক অভিজ্ঞতাকে আরও ঘনীভূত করেছে। অন্যদিকে, দ্য হলিউড রিপোর্টার উল্লেখ করেছে—গল্পের গভীরতার চেয়ে নির্মাতা বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন রক্তাক্ত ও বীভৎস দৃশ্য উপস্থাপনে।
গল্পটি গড়ে উঠেছে এক সাংবাদিক বাবা ও তার পরিবারকে ঘিরে। বহু বছর আগে নিখোঁজ হওয়া তাদের কিশোরী মেয়ে কেটি হঠাৎ করেই ফিরে আসে, কিন্তু সে আর আগের মতো নেই। তার আচরণ ক্রমশ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে এবং শরীরে দেখা দিতে থাকে অদ্ভুত পরিবর্তন। পরিবারের কাছে স্পষ্ট হতে শুরু করে, কোনো অশুভ শক্তি তাকে গ্রাস করেছে।
মনস্তাত্ত্বিক ভয় ও শারীরিক নৃশংসতার মিশেলে তৈরি এই সিনেমাটি যুক্তরাষ্ট্রে ‘আর’ রেটিং পেয়েছে, যা ১৭ বছরের কম বয়সীদের জন্য অনুপযুক্ত।
ওয়ার্নার ব্রাদার্সের ব্যানারে নির্মিত ছবিটিতে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত ছিলেন জেমস ওয়ান ও জেসন ব্লামের মতো হরর ঘরানার পরিচিত নাম। অভিনয়ে আছেন জ্যাক রেনর, লাইয়া কস্তা, মে ক্যালামাউই, নাটালি গ্রেস ও ভেরোনিকা ফ্যালকন।
পরিচিত ‘মমি’ ধারণাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে এই সিনেমা দর্শকদের জন্য এক ভিন্নধর্মী ও শীতল আতঙ্কের অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে।