মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির নাগরিক সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি মার্কিন কূটনীতিকদের নামে ভুয়া প্রোফাইল, সতর্ক করল দূতাবাস অনলাইনে পাঞ্জাবি বিক্রি, ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন
  • ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা

    ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ (অব.) ও তাঁর পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    মামলার অপর দুই আসামি হলেন শেখ মামুন খালেদের স্ত্রী নিগার সুলতানা ও শ্যালক শেখ আমিনুর রহমান।

    মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাসসকে এ তথ্য জানান।

    দুদক জানায়, অনুসন্ধানে শেখ মামুন খালেদের নামে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তাঁর মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৩ টাকা। ফলে তাঁর নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

    নিগার সুলতানার নামে ১ কোটি ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫১ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯১১ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ৭৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৯ টাকা। ব্যয় বাদে সম্পদ অর্জনের জন্য তাঁর সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪৯ লাখ ৭২ হাজার ৯৪২ টাকা। এ হিসাবে তাঁর নামে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

    অপরদিকে, শেখ আমিনুর রহমানের নামে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৯ হাজার ১২৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক। তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭৮ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ২ কোটি ৪২ লাখ ৪ হাজার ৬১৬ টাকা। দুদকের হিসাবে, পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তাঁর মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৩ টাকা। এর ভিত্তিতে তাঁর নামে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    দুদকের অনুসন্ধানে নিগার সুলতানা ও শেখ আমিনুর রহমানের আয়কর নথিতে মৎস্য চাষ থেকে প্রদর্শিত যথাক্রমে ৪০ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা ও ৬ কোটি ৮ লাখ ১৪ হাজার ৮৮৪ টাকার আয় গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়নি। রেকর্ডপত্র যাচাই ও পরিদর্শনে এসব আয়ের ভিত্তি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।

    এ ছাড়া শেখ আমিনুর রহমানের পূর্ববর্তী সঞ্চয় হিসেবে প্রদর্শিত ১ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯০ টাকারও কোনো রেকর্ডপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানায় সংস্থাটি।

    দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল বাদী হয়ে মামলা তিনটি দায়ের করেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন