ঈদে প্রধানমন্ত্রী যমুনা ভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন

সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর প্রধানমন্ত্রীর কর্মস্থল হিসেবে যমুনা ভবনে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তার আগেই সেখানে অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতরের রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বড় ধরনের কোনো সংস্কারের প্রয়োজন নেই। বর্তমানে চলছে শুধু রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ এবং হালকা সংস্কার। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, ভেতরের কাজের মধ্যে রয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, হাইজিনিক ওয়াশ, রং মেইন এবং সিলিংয়ের কিছু ক্ষুদ্র মেরামত।
ঐতিহ্যবাহী গণভবন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। আগস্টের অভ্যুত্থানের সময় গণভবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর এটি স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এজন্য রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত গুলশান থেকে যমুনা পর্যন্ত অফিস করছেন। যমুনা ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৮ একর, যার মধ্যে ভেতরের অংশ ৫.২ একর এবং বাইরের অংশ ২.৮ একর। অফিসসহ ভবনের মোট আয়তন ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে যমুনা ভবনে দুটি ইফতার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দেশি ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের আশা, চলমান রুটিন কাজ দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, যার পর প্রধানমন্ত্রী যমুনা ভবনে পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।