শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২০২৭ বিশ্বকাপের পথে বড় অগ্রগতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বৈশ্বিক চাপের প্রভাবে ধীর হচ্ছে অর্থনীতির গতি: এডিবি সাত দিনের মধ্যে বরখাস্ত থেকে পুনর্বহাল তবিবুর রহমানের রহস্যঘেরা কাহিনি ‘জাতীয় ঐক্যে অটুট ইরান’: ট্রাম্পের দাবির জবাবে পেজেশকিয়ানের দৃঢ় বার্তা জ্বালানির প্রভাবে বাসভাড়া বৃদ্ধি; কিলোমিটারে ১১ পয়সা সমন্বয়, নতুন হার কার্যকর এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, কাফি-রনি ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি গণপূর্তে অভিযোগের ঝড়: তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ সমন্বিত উদ্যোগে কমছে হাম সংক্রমণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুদ্ধ নয়, সংঘাত এড়াতেই প্রস্তুতি: সেনাপ্রধান
  • গত একমাসে কক্সবাজারে গ্রেফতার ৮০

    গত একমাসে কক্সবাজারে গ্রেফতার ৮০
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার অঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে জননিরাোপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশন বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এতে গত এক মাসে পরিচালিত ৬১টি যৌথ অভিযানে ৮০ জন অপরাধীকে গ্রেফতার এবং বেশ কিছু অস্ত্র, গুলি, মাদক ও জাল টাকার নোট ও বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানে হয়েছে।

    এ সময় ১০ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর সাংবাদিকদের জানান, সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক অপতৎপরতা দমন, গুজব ও সহিংসতা প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    এরই অংশ হিসেবে গত ১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সর্বমোট ৬১টি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, ডাকাত সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারি ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ সর্বমোট ৮০ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

    এতে ১৯টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০টি বিভিন্ন ধরনের গুলি এবং ৯৩টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ সময় ১টি ড্রোন, ১টি ওয়াকিটকি, ১৩ লাখ জাল নোটসহ বিভিন্ন নাশকতা সৃষ্টিকারী দ্রব্যসামগ্রী জব্দ করা হয়।

    এছাড়া ৬ হাজার ২০১টি ইয়াবা, ৫৪১ লিটার দেশীয় মদ, ২৩ লিটার বিয়ার এবং ৬ কেজি গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন সরঞ্জামাদি উদ্ধার হয়েছে।

    এ সময় সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা আরও জানান, যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী অপতৎপরতা দমনের ফলে আতঙ্কিত স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে অধিকতর স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরে এসেছে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল কার্যক্রম ও যৌথ অভিযান পরিচালনা চলমান থাকবে এবং আরও বেগবান হবে।

    জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেই লক্ষে ১০ পদাতিক ডিভিশন অসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে বলে জানান লে. কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর।

    সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির রামু সেক্টরের মেজর নাজমুস সাকিব, র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. ফারুক এবং পুলিশের কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পিয়ারসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন