নির্বাচনের জন্য কেপিএম থেকে ইসিতে ৯১৪ টন কাগজ সরবরাহ

নির্ধারিত সময়ের আগে কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম) থেকে বিএসও’র মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৯১৪ টন কাগজ পাঠানো হয়েছে। এই কাগজের বাজার মূল্য ১১ কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে কেপিএম’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগে কাগজ সরবরাহ সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত হবে।
কাগজটি নির্বাচনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হবে, বিশেষ করে ভোটারদের ব্যালট ও নির্বাচনী নথি প্রস্তুতিতে। কেপিএম সূত্র জানায়, সরবরাহের সময়সীমা মেনে চলা এবং মানসম্পন্ন কাগজ প্রদান নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, সময়মতো কাগজ সরবরাহ হওয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে এগোবে।
তিনি বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ছাপানো এবং অন্যান্য কাজ সম্পাদনের জন্য রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড থেকে চলতি অর্থ বছরে ৯১৪ টন কাগজের চাহিদাপত্র দিয়েছিল বাংলাদেশ স্টেশনারি অফিস (বিএসও)। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১১ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ টাকা। চাহিদা পত্রের বিপরীতে নিদিষ্ট সময়ের আগেই কেপিএম কর্তৃপক্ষ এই কাগজ সরবরাহ করেছে।
শহীদ উল্লাহ আরও বলেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সাড়ে ৩ হাজার টন কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। এরমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানোর জন্য নির্বাচন কমিশন বিএসও এর মাধ্যমে কেপিএম মিল থেকে ব্রাউন, সবুজ ও গোলাপি কালার কাগজের চাহিদাপত্র দিয়েছে। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এই কাগজ সরবরাহের জন্য বলা হয়েছিল। আমরা ১১ জানুয়ারির মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই কাগজ বিএসও’র কাছে সরবরাহ করেছি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ছাড়াও বিএসও এর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১১টি প্রতিষ্ঠানে আরও ১২০০ টন কাগজ পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে।
এ সময় কেপিএম এর জিএম( কমার্শিয়াল) আবদুল্লা আল মামুন, কেপিএম উৎপাদন বিভাগের প্রধান মঈদুল ইসলাম, জিএম (এডমিন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।