নবীনগরে গ্যাস সিলিন্ডারের দামে নৈরাজ্য, কম ওজনে বিক্রি

নবীনগর উপজেলায় এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নিয়ে চরম নৈরাজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ভোক্তাদের দাবি, কিছু অসাধু গ্যাস সিলিন্ডার মজুদকারী ডিলার ও ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
অনেক ক্ষেত্রে ফোন কল বা মেসেজের মাধ্যমে আগাম কোনো নোটিশ ছাড়াই সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বাজারে প্রচলিত ১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারে নির্ধারিত পরিমাণ গ্যাস থাকছে না।
গ্যাস ডিপো থেকে পুরাতন ও নিম্নমানের সিলিন্ডার ব্যবহার করে রিফিল করে আনা হচ্ছে, যেখানে গ্যাসের পরিমাণ ১০ কেজিরও কম বলে দাবি করছেন ভোক্তারা।
এতে করে একদিকে যেমন গ্রাহকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ছে।
নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও পৌর এলাকার পাড়ামহল্লার লোকাল দোকানগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে সম্পূর্ণ খেয়ালখুশিমতো দামে।
ব্যবসায়ীরা কখনো পরিবহন সংকট, কখনো ডিপোর অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ।
এছাড়া কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার গোপনে মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।
এ বিষয়ে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—নবীনগর উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো অভিযান বা নজরদারি দেখা যাচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন যাচাই এবং নির্ধারিত মূল্য তালিকা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলছেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান না হলে এই অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়।