দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন, কিন্তু অর্থ-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব নেই

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক টানাপড়েন সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বলেন, “অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে। দেশের আর্থিক বাজার স্থিতিশীল এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ সচল রয়েছে। রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে অর্থ-বাণিজ্যে কোনো বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।”
ড. সালেহউদ্দিন আরও জানান, সরকার অর্থনীতি সচল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের জন্য পরিবেশ নিরাপদ ও প্রেরণাদায়ক রাখা হচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, “বৈদেশিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।”
এ বিষয়ে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদিও রাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক নীতি এবং বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় প্রভাব সীমিত হবে।
তিনি বলেন, ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে নিয়ে যেটি ঘটেছে সেটি দুঃখজনক। এমন বিষয়ের শুরুটা কিন্তু আমরা করিনি। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপড়েনের কোনো প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, তবে দুই দেশ বসেই বিষয়টির মীমাংসা করতে হবে। রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করবে না বলেই আশা করছি।
এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পৃথকীকরণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাস্তবায়িত হবে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।