মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

টানা ছয় ঘণ্টা বিপৎসীমা অতিক্রমের পর পানি কমতে শুরু করেছে

টানা ছয় ঘণ্টা বিপৎসীমা অতিক্রমের পর পানি কমতে শুরু করেছে
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

উজানের ঢল আর টানা ভারী বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে উত্তরের কয়েকটি জেলা প্লাবিত হয়েছে। তবে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার পর নীলফামারীর ডালিয়াস্থ তিস্তা ব্যারেজ খালিশাচাঁপানী বাইশপুকুর পয়েন্টে পানির স্তর বিপৎসীমা (৫২.১৫ মিটার) অতিক্রম করে ৫২.২০ মিটারে পৌঁছায়, যা বিপৎসীমার পাঁচ সেন্টিমিটার উপরে। টানা ছয় ঘণ্টা বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সোমবার সকাল ৯টার দিকে পানি নামতে শুরু করে। দুপুর নাগাদ পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে আসে।

এ অবস্থায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালিগঞ্জ এবং আদিতমারী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৬টায় নদীর পানি ছিল ৫২.১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপরে। তবে সকাল ৯টা থেকে পানি নামতে শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

ডালিয়াস্থ তিস্তা ব্যারেজের পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, “রাতের বৃষ্টিপাত আর উজানের ঢলের কারণে পানি হঠাৎ বেড়ে যায়। তবে সোমবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।”

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “এখনই বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি নেই। উজানেও পানি কমতে শুরু করেছে। তবে যদি আবার ভারী বৃষ্টি হয় বা উজানে ঢল নামে, তাহলে তিস্তায় পানি বাড়তে পারে।” এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় প্রশাসন তিস্তার তীরবর্তী মানুষকে সতর্ক থাকতে বলেছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন