নীলফামারীতে সফল মৎসচাষীর সম্মাননা পেল তিন প্রতিষ্ঠান

নীলফামারীতে মৎস্য সম্পদ সম্প্রসারণ, সংরক্ষন, উন্নয়ন ও টেকসই ব্যবহারে জনসচেতনতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে (১৮আগষ্ট) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উদযাপন শুরু হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নীলফামারীতে তিন প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতস্বরূপ জেলা পর্যায়ের মৎস্য পদক প্রদান করা হয়।
“অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি” শ্লোগানে জেলা প্রশাসনের চত্বরে মৎস্য সপ্তাহের আনুষ্ঠনিকভাবে উদ্ধোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এ সময় শহরে বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা মৎস অফিসার মোঃ আবু সাইদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফজলুল রহমান মোহসীন , কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. এ এম আবু বক্কর সাইফুল ইসলাম। সফল মৎস চাষিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী সদরের ওমর ফারুক ও ডোমার উপজেলার জুলফিকার রহমান বাবলা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অনেক তরুণ উদ্যোক্তা মৎস্য চাষে এগিয়ে আসছে। বর্তমানে আমিষের চাহিদা মেটানোতে চাষের মাছের অবদান অনেক বেশি। মাছ আমাদের জন্য প্রকৃতির একটি উপহার।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান তিনজন সফল মৎস্যচাষীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন গুণগত মৎস্য খাদ্য উৎপাদনে নীলফামারীর নীলসাগর এ্যাগ্রো লিমিটেডের পরিচালক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, সফল মৎস উৎপাদনে ডোমার উপজেলার উত্তরবঙ্গ পার্ল সিটি খামারের পরিচালক জুলফিকার রহমান বাবলা ও নীলফামারী সদরের মিনা মৎসখামারের পরিচালক ওমর ফারুক।
এবারের মৎস্য সপ্তাহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। জেলা পর্যায়ের আয়োজনে র্যালি, সেমিনার, প্রযুক্তি প্রদর্শন, আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, মতবিনিময় সভা, পোনা অবমুক্তকরণ, সপ্তাহব্যাপী নিরাপদ মাছ চাষ ক্যাম্পেইন, তরুণদের অংশগ্রহণে কর্মশালা, কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং মৎস্যজীবীদের নিয়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন রাখা হয়েছে।