ডিমলায় বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়—ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই-আগষ্ট গনঅভ্যুত্থান, বিজয়ের বর্ষপূর্তির “বিজয় মিছিল ।
আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে জুলাই-আগষ্ট গনঅভ্যুত্থান, বিজয়ের বর্ষপূর্তির “বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকায় সজ্জিত এই বর্ষপূর্তির বিজয় মিছিল, গনমিছিলে পরিনত হয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় কয়েক হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার নিয়ে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।র্যালি শেষে বিজয় চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য, নীলফামারী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন।
তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তরুণদের নেতৃত্বে এক প্রতিবাদী জাগরণ, যা আজও গণতন্ত্র রক্ষার প্রেরণা জোগায়।”
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিমলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন। আরও বক্তব্য রাখেন- আব্দুল খালেক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি (রংপুর বিভাগ), অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, উপদেষ্টা, জেলা বিএনপি, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা সেতারা সুলতানা, সদস্য, জেলা আহ্বায়ক কমিটি, আরিফ উল ইসলাম লিটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপি, বদিউজ্জামান রানা, সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি, গোলাম রব্বানী প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি ও জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, জাহাঙ্গীর আলম (ডিআর), সভাপতি, সদর ইউনিয়ন বিএনপি।
প্রধান অতিথি ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, “বর্তমানে দেশে যে গণতন্ত্রের সংকট চলছে, তা মোকাবেলায় সকল দেশপ্রেমিক নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”
এটি শুধু একটি তারিখ নয় এটি একটি অর্জনের প্রতীক। এদিন আমরা ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারী ও হিংস্র সরকারের পতনের স্মৃতি বহন করি। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক দিন হিসেবে এ দিনটি আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।
বক্তারা বলেন, “জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে আনতেই বিএনপির প্রতিটি কর্মী রাজপথে লড়ছে এবং ভবিষ্যতেও লড়বে।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা 'জুলাই চেতনা' ধারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।