শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সি চিনপিংকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সি চিনপিংকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে গিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফররত বিদেশি নেতাদের সাধারণত হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোর প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে বিরল কূটনৈতিক সৌজন্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আসা সি চিনপিংয়ের বিমান জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে অবতরণের পর বিমানের সিঁড়ির কাছেই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ট্রাম্প। মেরিল্যান্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত সফররত বিদেশি নেতাদের হোয়াইট হাউসে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাম্প্রতিক সময়েও এই রীতিই বেশি দেখা গেছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সফরের শুরুতে ট্রাম্প তাকে হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশপথে স্বাগত জানিয়েছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসকেও হোয়াইট হাউসের সাউথ পোর্টিকোতে স্বাগত জানানো হয়।

তবে ওয়াশিংটন এলাকার বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরাসরি গিয়ে কোনো বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানানোর ঘটনা সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বেশ বিরল। ব্যতিক্রম হিসেবে পোপদের সফরের সময় এমন নজির রয়েছে।

১৯৬২ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ওয়াশিংটন এলাকার বিমানবন্দরে ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে আইভরি কোস্টের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনিও ছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০৮ সালে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে একই ঘাঁটিতে পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে বলেন, এই গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং চীনে একটি ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আতিথেয়তা দিয়েছেন। সেই আতিথেয়তার প্রতিদান হিসেবেই ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে চীনা প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া এবং মার্কিন জনগণের জন্য ভালো চুক্তি করার লক্ষ্য নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন।

ট্রাম্পের বিমানবন্দরে গিয়ে সি চিনপিংকে স্বাগত জানানোর ঘটনা তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্রচলিত আনুষ্ঠানিকতার বাইরে একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন হিসেবে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে পোপদের সফর ছাড়া অন্য বিদেশি নেতাদের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনা খুব কমই দেখা গেছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন