বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ‘ইরানিরা কী করে, সবই আমরা দেখি’: ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যায়বিচার-সমতায় টেকসই শান্তি: আইরিন খান মেসির বিদায় স্মরণীয় করতে আর্জেন্টিনার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জ্বালানি আমদানিতে বাড়তে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ব্যয় সবুজ ও টেকসই অর্থায়নে ভাটা, এক বছরে বিনিয়োগ কমেছে ৫৩ হাজার কোটি টাকা ওসমানী মেডিকেলে সময়মতো আসেন না চিকিৎসকরা, ছাড়েনও আগেই ওবায়দুল কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে ১৫ সেপ্টেম্বরের পর বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট কাটার আশা প্রতিমন্ত্রীর ‘ট্রাম্প প্রণালি’! হরমুজের নাম পরিবর্তন করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট শাপলা চত্বর মামলায় হাসিনা-বেনজীর-আজিজসহ ৩০ আসামির খোঁজ মেলেনি
  • নেপাল-তিব্বতের হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,২০০

    নেপাল-তিব্বতের হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,২০০
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪ হাজার ৭৫৭ জন। দুর্যোগের পর উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকারীদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    নেপালের ভোতেকোশি নদীর তীরে একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া কর্মীদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। বুধবার বৃষ্টির মধ্যেই সুড়ঙ্গের মুখে জমে থাকা আবর্জনা ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যান উদ্ধারকারীরা।

    আটকা পড়া কর্মীদের জীবিত উদ্ধারের আশায় বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জমে থাকা ধ্বংসাবশেষের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

    নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্যের বরাতে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশটিতে হড়পা বানে ১ হাজার ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন।

    সীমান্তবর্তী রসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় দুর্যোগের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ১৬ লাখ মানুষ বন্যা ও ভূমিধসসহ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    দুর্যোগের পর নিখোঁজদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপ ও কাদার নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    চীনের গণমাধ্যম চায়না ডেইলির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বত সীমান্ত এলাকায় হড়পা বানে এখন পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

    নেপাল ও তিব্বতে একই দুর্যোগের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা ও উদ্ধারকাজে বিভিন্ন বাধা তৈরি হওয়ায় নিখোঁজদের সন্ধান এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ হিসাব করতে সময় লাগছে।

    নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এই ভয়াবহ দুর্যোগের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

    তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই জলবায়ু সংকটের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

    ভয়াবহ এই হড়পা বানের পর নেপাল ও তিব্বতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধারকারীদের জন্য পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন