শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • অনলাইন জুয়া ও অর্থ পাচার চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার, পরিবেশ বান্ধব সরকার - এমপি খোকন নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে জীবিত দুজন উদ্ধার ঢাকায় রিজেনেক্স পেইন সলিউশনের যাত্রা শুরু, মিলবে ব্যথার অত্যাধুনিক চিকিৎসা সংসদে অনুপস্থিত নজরুল, স্পিকারের রসিকতায় বাতিল প্রশ্ন ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় ৯ নির্দেশনা ডিএমপির ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়ন আইএসডিবির মিডিয়ায় চাপ সৃষ্টি করেও ফ্যাসিস্টরা নিজেদের বাঁচাতে পারেনি: তথ্যমন্ত্রী
  • ন্যায়বিচার-সমতায় টেকসই শান্তি: আইরিন খান

    ন্যায়বিচার-সমতায় টেকসই শান্তি: আইরিন খান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। শান্তি প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়াতে বৈশ্বিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে শান্তি বিনির্মাণে নারী নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে তিনটি অগ্রাধিকারের বিষয় তুলে ধরেন বাংলাদেশের এই প্রতিনিধি।

    তিনি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কিশোরী ও তরুণীদের নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তাদের প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

    নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর জন্যও দীর্ঘমেয়াদি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে এসব সংগঠনের ভূমিকা আরও কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনও প্রয়োজনের তুলনায় কম। এমনকি নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও অনেক সময় তাদের মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায় না।

    শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

    এ সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি দেশের তৃণমূল পর্যায়সহ নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন