বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পোশাক রফতানি খাতের সংকট দ্রুত সমাধানের তাগিদ রাষ্ট্রপতির সচিবালয় থেকে হেঁটেই জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা জন্মাষ্টমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় নেপাল-তিব্বতের হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,২০০ জন্মশতবর্ষে উত্তম-স্মরণ, প্রিয় চরিত্রের কথা জানালেন টলিউডের নায়কেরা পিঠের পুরোনো চোটে আবারও ছিটকে গেলেন বর্ষণ শাপলা চত্বর মামলায় ইনু-লতিফ সিদ্দিকীসহ ১১ আসামি ট্রাইব্যুনালে ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি মালয়েশিয়া-ফিলিপিন্সে আজ তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস
  • আসিফের ঢাকা-১০ আসন নিয়ে ইউনূসের ফোন, দাবি রাশেদ খাঁনের

    আসিফের ঢাকা-১০ আসন নিয়ে ইউনূসের ফোন, দাবি রাশেদ খাঁনের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকা-১০ আসনে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের প্রার্থিতা নিয়ে আসন সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। তার দাবি, আসিফ মাহমুদের জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ফোন করেছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে জামায়াতের আমির ওই আসন ছাড়তে রাজি হননি।

    বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব দাবি করেন রাশেদ খাঁন। একই পোস্টে তিনি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।

    রাশেদ খাঁনের দাবি, ঢাকা-১০ আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আসিফ মাহমুদের পক্ষের সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। তিনি বলেন, নাহিদ ইসলাম এ বিষয়ে কয়েকজনের কাছে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন।

    পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের আসন নিয়ে সমঝোতার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে ফোন করেছিলেন। তবে জামায়াতের আমির ওই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের আমির প্রয়োজনে আরও দুই-তিনটি আসন ছাড়ার কথা বললেও আসিফ মাহমুদের বিষয়ে অনুরোধ না করার অবস্থান জানিয়েছিলেন।

    আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও করেন রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, এসব বিষয় এনসিপির ভেতরে অনেকেরই জানা ছিল। অল্প সময় উপদেষ্টা থাকার মধ্যেই আসিফ মাহমুদ কীভাবে আর্থিকভাবে সুবিধা পেয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    রাশেদ খাঁনের আরও দাবি, আসিফ মাহমুদ অন্তত একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলেন, যার বিষয়ে তিনি নিজে অবগত। এ বিষয়ে একজন উপদেষ্টাকে জানালে তিনিও বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

    তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে পোস্টে কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি রাশেদ খাঁন।

    রাশেদ খাঁন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্যে শব্দের পরিবর্তন বা হেরফের হলে তার ভিত্তিতে আসিফ মাহমুদকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে দায়মুক্ত বলা যায় না।

    তিনি আরও দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ ওমরাহ পালন করে এসেছেন; অল্প বয়সের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টিকে তিনি ভিন্নভাবে দেখতেন।

    নিজের পোস্টে সাংবাদিকদের এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন। তিনি জামায়াতের আমিরের অবস্থানের প্রশংসাও করেন।

    তবে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্যের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা জামায়াতের আমিরের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন