ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে দ্রুত পুরো বাংলাদেশকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।
সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ইনোভেশন শোকেসিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের বিকল্প নেই। তাই শ্রমিক, কৃষক, দিনমজুরসহ দেশের সব নাগরিককে প্রযুক্তিনির্ভর সেবার আওতায় আনতে হবে। এতে রাষ্ট্রীয় সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, সরকার প্রশাসন ও অর্থনৈতিক খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত ডিজিটালাইজেশন বাস্তবায়নে কাজ করছে। শুধু আর্থিক অন্তর্ভুক্তিই নয়, সরকারি সেবা প্রদানেও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ সমান সুযোগ পায়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে নাগরিকদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে, পাশাপাশি উৎপাদনশীলতাও বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি সেসব উদ্যোগ সম্পর্কে জনগণকে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে শেয়ারবাজার, বিমা খাতসহ বিভিন্ন সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে।
অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও ডিজিটাল সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জনতা ব্যাংক পিএলসি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।