সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার ব্যবসায় স্বস্তি দিতে বাজেটে কর কাঠামো ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার হঠাৎ অসুস্থ দীপু মনি, ঢামেকে চিকিৎসাধীন হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করেছে আইডিএফ: ইসরায়েল সৌরবিদ্যুৎ বাড়লে কমবে জ্বালানি ব্যয়, গবেষণায় বড় সাশ্রয়ের চিত্র ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়তে নতুন বাজেট: প্রধানমন্ত্রী অর্থবছর পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন ডা. শফিকুর রহমান বজ্রপাতের ঝুঁকিতে বগুড়া থেকে চট্টগ্রাম, সতর্কতা জারি স্বচ্ছতার স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের তদন্ত চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা, সাময়িকভাবে থামছে সংঘাত
  • স্বচ্ছতার স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের তদন্ত চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বচ্ছতার স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের তদন্ত চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার সব কার্যক্রম তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    রোববার (২৮ জুন) সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। তাই অতীত কিংবা অন্তর্বর্তী—যে সরকারের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠুক না কেন, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

    তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে কোথায়, কীভাবে এবং কার মাধ্যমে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে, তা দুদকের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা উচিত।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীত সরকারের সময় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, অর্থপাচার ও আর্থিক অনিয়ম দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে, সেগুলোরও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

    তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকাশিত প্রতিবেদনে দীর্ঘ সময় ধরে অর্থপাচার, ব্যাংক খাতের অনিয়ম এবং মেগা প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে দায়ীদের চিহ্নিত করা জরুরি।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান অর্থবছরের বাজেট দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও উৎপাদনমুখী করার লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর নতুন কোনো কর আরোপ করা হয়নি এবং রাজস্ব ব্যয়ের পরিবর্তে উন্নয়ন ব্যয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিভিন্ন সদস্য সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, জ্বালানি, কৃষি, ব্যাংকিং খাত, সুদভিত্তিক অর্থনীতি, জাকাত ব্যবস্থাপনা এবং বড় উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

    সরকারি দলের সদস্যরা বাজেটকে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনের রূপরেখা হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে বিরোধী সদস্যরা বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা ও বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরেন।

    সংসদে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বাজেট আলোচনা শেষে অর্থ বিল উত্থাপন এবং সংশোধনীর পর নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন