দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়াল দেশের শেয়ারবাজার

সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে টানা দরপতনের পর মঙ্গলবার (২৩ জুন) দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় মূল্যসূচকে উত্থান হয়েছে। তবে এদিন লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সার্বিক মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকে। একই সঙ্গে এ বাজারে লেনদেনও বেড়েছে।
দিনের শুরুতে ডিএসইতে শেয়ারের দাম কমার প্রবণতা থাকলেও কিছু সময়ের মধ্যেই বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। পরবর্তী সময়ে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় যুক্ত হতে থাকে এবং দিনের শেষ পর্যন্ত সেই প্রবণতা বজায় থাকে। এতে মূল্যসূচকও বড় ধরনের উত্থান নিয়ে লেনদেন শেষ করে।
লেনদেন শেষে ডিএসইতে ২৭৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৫৫টির কমেছে এবং ৬১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লভ্যাংশ প্রদান ও বাজারভিত্তিক বিভিন্ন শ্রেণির কোম্পানিতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়।
এদিন ডিএসইএক্স সূচক ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬০৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। পাশাপাশি ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১০ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়।
তবে সূচক বাড়লেও ডিএসইতে মোট লেনদেন কমে দাঁড়ায় ৮২৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, এরপর আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও ব্র্যাক ব্যাংক।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক ধারা বজায় থাকে। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বাজারটিতে ২১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টির দাম বেড়েছে, ৮০টির কমেছে এবং ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় বেড়ে দাঁড়ায় ৯৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকায়।